1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা।

ডুমুরিয়া পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৭৩ বার পঠিত

সর্দার বাদশা নিজস্ব প্রতিনিধি।

খুলনার ডুমুরিয়া ১৩ ডিসেম্বর পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ডুমুরিয়া কমান্ড আজ মঙ্গলবার সকালে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ডিসেম্বর মাস থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শত্রুমুক্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ ডিসেম্বর ডুমুরিয়া মুক্ত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়, এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সকাল ১০টায় মুক্তিযোদ্ধা জনতার সমন্বয়ে উপজেলা চত্বরে বিজয় শোভা যাত্রা বের করা হয়। এরপর উপজেলা শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মানিক। বক্তব‍্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম,এম সুলতান আহম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা চন্দ্রকান্ত তরফদার, মোল্ল‍্যা মাহবুর রহমান, দিলিপ কুমার রায় প্রমূখ।

আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ডুমুরিয়ার চুকনগরে ঘটে ভয়াবহ ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। যা দেশের সবচেয়ে বড় গণহত্যা বলে জানা যায়। ১৯৭১ সালে ১৩ ডিসেম্বর ডুমুরিয়াকে শত্রুমুক্ত এলাকা ঘোষণা করি আমরা। অথচ দিনটির কথা অনেকেই জানেন না। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এ অবিচ্ছেদ্য ঘটনা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪০ বছর পেরিয়ে গেলেও যখন দেখি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শত্রুমুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে তখন নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়। এখন বয়স বেড়েছে। প্রকৃতির নিয়ম অনুয়ায়ী বেশিদিন হয়তো বাচঁবো না। তাই নিজের কর্তব্য ও দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে বিগত কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT