1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ। বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন।

ঝিনাইদহে প্রথম স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের দায়ে স্বামী ও সতীনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড!

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৬৬ বার পঠিত

সাইদুর রহমান,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে নুরুন্নাহার নামে এক গৃহবধুকে অমানুষিক নির্যাতনের দায়ে স্বামী ও সতিনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে চার মাস করে সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মিজানুর রহমান এ রায় প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার মহিতুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত নবিরুদ্দীন প্রামানিকের ছেলে শহিদুল ইসলাম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রতনপুর সোনারদাইড় গ্রামের জহুরুল ইসলামের কন্যা পলাতক রহিমা খাতুন পান্না।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, চট্টগামের সাতকানিয়া উপজেলার বকরা আলী বিল গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে গৃহবধূ নুরুন্নাহারের সাথে ২০০২ সালে শহিদুলের বিয়ে হয়। প্রথম স্ত্রীকে বিয়ের ৭ বছর পর শহিদুল আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে রহিমা খাতুন পান্নাকে। ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বেড়ানোর নাম করে ঝিনাইদহ শহরে নিয়ে আসে শহিদুল। শহরের পাগলাকানাই এলাকার উপ-শহরপাড়ার একটি ভাড়া বাসায় প্রথম স্ত্রী নুরুন্নাহারকে আটকে রেখে স্বামী শহিদুল ইসলাম ও দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমা খাতুন পান্না প্রথম স্ত্রী নুরুন্নাহারকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারপিট ও গরম লোহার রড নুরুন্নাহারের যৌনাঙ্গে ঢুকিয়ে নির্যাতন করে। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। সাত দিন ধরে চলে এই নির্যাতন। মাকে নির্যাতনের বিভৎস দৃশ্য দেখে নুরুন্নাহারের দুই শিশু সন্তান রিয়াদ হোসেন ও হৃদয় হোসেন। প্রতিবেশিরা পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় সদর থানায় দুই জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে নির্যাতিতা নুরুন্নাহার। আদালত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে সোমবার (২৪ অক্টোবার) স্বামী শহিদুল ইসলাম ও সতীন রহিমা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে শহিদুল ইসলাম উপস্থিত থাকলেও রহিমা খাতুন পলাতক রয়েছে। সরকার পক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এ্যাডভোকেট বজলুর রহমান ও আসামী পক্ষে এ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম জোয়ারদার মামলাটি পরিচালনা করেন।
পিপি এ্যাডভোকেট বজলুর রহমান জানান, বিজ্ঞ আদালতের এই রায়ে আমরা খুশি। পলাতক আসামী রহিমা বেগমকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য তিনি দাবী জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT