1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর টানা বর্ষণে পানির নিচে অধিকাংশ আবাদি জমি ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২০ বার পঠিত

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে টানা বর্ষণে শিমখেতে জমে আছে পানি।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে টানা বর্ষণে পানির নিচে চলে গেছে অধিকাংশ আবাদি জমি। আক্রান্ত হয়েছে ২৫০ হেক্টর খেতের ফসল। প্রণোদনার জন্য ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুরে ১২ হাজার ৮০৮ হেক্টর আবাদযোগ্য জমি রয়েছে। এর মধ্যে বৃষ্টির পানি জমে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪৬ হেক্টর জমির ফসল; যাতে আছে ৩ হেক্টর আমনের বীজতলা, আমন ধান ৪ হেক্টর, মরিচ ২০ হেক্টর, সবজি ৬ হেক্টর এবং আউশ ধান ১৩ হেক্টর। ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি অফিস চাষিদের স্বল্প জীবনকালের ধানের জাতের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দিয়েছে; যাতে জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারা রোপণ করা যায়।

আলুকদিয়া গ্রামের চাষি ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘রাস্তার দুই পাশের জমিগুলোয় ধান চাষ হয়। সে অনুযায়ী এ বছরও চাষ করা হয়েছিল। তবে দুই মাসের টানা বর্ষণে জমি তলিয়ে চারা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন পানি নেমে গেলেও এ বছর আর আবাদ করা সম্ভব না। কারণ, চাষ করতে যে চারা লাগবে, তা কোথায় পাব? আমাদের মাঠের ২০০-৩০০ বিঘা জমিতে এবার ফসল করা যাবে না।’
জয়দিয়া গ্রামের খায়রুল ইসলাম জানান, অতি বৃষ্টিতে উঁচু জমিতে ক্ষতি হয়েছে পেঁপে, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির। আর নিচের জমিগুলোয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধান, যা এ বছর আর হবে না।

এ নিয়ে কথা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে স্বল্প জীবনকালের বিনা-৭ ধানের বীজতলা তৈরিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে; যাতে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমিগুলোয় আবার চাষ করা যায়। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রণোদনা আসে, তা ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT