1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে ইয়াবাসেবী ও বিক্রেতাসহ এক নারীসহ ছয়জনের কারাদণ্ড। বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে  কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু । পাঁজিয়া পূরবী খেলাঘর আসরের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা। শ্যামনগরে গ্রাম পুলিশ ও বাজার ব্যাবস্থাপনা সদস্যদের বর্জ্য ও স্যানিটেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। কেশবপুর এস এস,সি-৮৬ বন্ধু কল্যাণ ফোরামের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ। বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির  প্রাক নিবন্ধন সভা  অনুষ্ঠিত। সুন্দরবন অভ্যন্তর থেকে ৪৫০ কেজি কাঁকড়া ও ১৫০ কেজি মাছ সহ ২ জেলে আটক। কেশবপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভেড়ামারায় শ্রী শ্রী রঘুনাথ জিউর মন্দিরে উৎসবমুখর পরিবেশে শুভ রথযাত্রা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে ভুয়া ইনকাম ট্যাক্স কর্মকর্ত আটক।

খুলনায় মেম্বরকে মারপিটের অভিযোগ মামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতার, তিন ঘণ্টা পর জামিনে মুক্তি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫৪ বার পঠিত

খুলনা প্রতিনিধি।

 

খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় মেম্বরকে মারপিটে অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার তেরখাদা উপজেলার ২নং বারাসাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা কেএম আলমগীর হোসেনসহ তিনজন ৪ ঘন্টা পর জামিন পেয়েছেন। খুলনা সদর থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলায় তাদের পুলিশ গ্রেফতার করে।

 

বিশেষ সূত্রে প্রকাশ, গত ২৮ জুলাই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মহিলা মেম্বরকে মারপিটের অভিযোগে ও টাকা আত্মসাতসহ নানা অভিযোগের বিরুদ্ধে খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় শাখায় শুনানীর দিন ধার্য ছিল। ওই সময় বাদী ও আরও কয়েকজন উক্ত স্থানে উপস্থিত হন। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাদী রিনা বেগম জেলখানা ঘাটের টোল প্লাজার সামনে পৌছালে আসামী উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম আলমগীর হোসেনসহ তার সহযোগীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। নিষেধ করার সাথে সাথে তারা বাদীর ওপর অতর্কিত হামলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এ ব্যাপারে তিনি খুলনা থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন (যার নং-২৬)। বাদী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী ও বারাসাত ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড সদস্য রিনা বেগম।

 

মামালার বিষয়ে তিনি আজ রবিবার সকালে খুলনা থানায় খোঁজ নিতে আসলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। এরপর খুলনা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে তাদের জামিন দেয়া হয়। অপর দুই আসামী হল মিল্টন মুন্সি ও সোহাগ মুন্সি।

 

ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেন বলেন, “আমার সম্মান নষ্ট করার জন্য তিনি এ জঘন্য কাজ করেছেন। আমি আল্লাহর ওপর এ বিচারের দায়িত্ব দিলাম। তিনি এর ফয়সালা করবেন।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT