1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এ্যাড.দীপেন দেওয়ান  পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ । কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ। খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন কয়রার সেরাজুল ইসলাম সবুজ । জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন সুরক্ষায় সব ধরনের বনজীবী ও পর্যটকদের ৩ মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক বাংলার প্রত্যয় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি পরেশ দেবনাথের জন্মদিনে শুভেচ্ছা। সমন্বয় করতে গিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। মারা গেছেন তোফায়েল আহমেদ। বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় । কেশবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা। কয়রায় জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ।

কয়রায় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের নামে মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে এলাকাবাসির মানববন্ধন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৭২ বার পঠিত

 অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ 
 কয়রা সদরের ৬নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে কোহিনুর সহ আরও অনেক নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে এলাকবাসি মানববন্ধন করেছে।

 গত ৩০ সেপ্টম্বর বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের ১নং কয়রা গ্রামের আবু বাক্কার মোল্যার পুত্র শফিকুল ইসলাম নামের এক রাজমিস্ত্রী একই গ্রামের শহর আলী ঢালীর কন্যা রাবেয়া আক্তারের নিকট কাজের টাকা পায়। সেই বিষয়টি নিয়ে শফিকুল ইসলাম আমার নিকট অভিযোগ করেন। আমি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সম্বনয়ে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে শফিকুল ইসলাম টাকা পাইবে বলে সিধান্ত গ্রহন করে রাবেয়াক ১৫ দিনের মধ্যে তার টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। রাবেয়া আমাদের সিধান্ত না মেনে শফিকুল টাকা চাইলে তার বিরুদ্ধে ধর্ষন মামলা করবে বলে জানিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে গত ৬ আগস্ট কুরুচীপুর্ন একটি ছবি দখিয়ে রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে কয়রা উপজেলার বিজ্ঞ সাব জজ আদালতে শফিকুল ও আমাকে আসামী করে ধর্ষন মামলা দায়ের করে। আমাকে ঐ মামলায় ধর্ষনের সহায়তাকারি হিসাবে অসামী করা হয়েছে। বর্তমান ঐ মামলায় মহামান্য হাইকোট থেকে জামিন নিয়ে আমি বাড়িতে রয়েছি। শুধু ঐ মামলা করেও সে বসে থাকেনি। আমাকে জেল হাজতে পাঠাতে না পেরে পুনরায় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে কয়রা উপজেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শফিকুলের ভাই, আমি সহ আরও নিরীহ মানুষের নামে তাকে মারপিট করার অভিযোগে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ঐ মামলায় আদালত থেকে সমন জারী করা হয়েছে। ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান আরও বলেন, রাবেয়া আক্তারের বিরুদ্ধে কয়রার অনেক নিরীহ মানুষকে ফাঁদে ফেলে হয়রানী করে অর্থ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। যা তদন্ত করলে সকল রহস্য উৎঘাটন করা সম্ভব হবে। তার এ ধরনের কর্মকান্ডে এলাকার নিরীহ মানুষ হয়রানী হচ্ছে। এ থেকে পরিত্রান পেতে এলাকাবাসি মানববন্ধন কর্মসুচীর মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে নিরীহ মানুষদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করে রাবেয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে রাবয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, অমি কারোর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিনি। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

কয়রা খুলনা প্রতিনিধি 
তারিখ:- ০১/১০/২৩ ইং।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT