২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

হবিগঞ্জে রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজায় হাজারো মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্গাপূজার অংশ হিসাবে রবিবার সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমে কুমারী পূজা শুরু হয়।

এবার রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী রূপে পুজিত হয়েছেন শহরের যশোর পুরাতন মুন্সেফী কোয়ার্টারের সুমেন্দ নাথ মল্লিক এর ৭ বছরের শিশু সৌমি মল্লিক।

পূজা চলাকালে চারদিক মুখরিত হয় শঙ্খ, উলুধ্বনি আর কুমারী মায়ের স্তব-স্তুতিতে। যোগিনীতন্ত্র, দেবীপুরাণ, স্তোত্র, কবচ, সহস্ত্রনা প্রভৃতি ধর্মীয় গ্রন্থের বিধান অনুসারে পুরোহিতগণ কুমারী মায়ের পূজা করেন।

পূজা দেখতে হবিগঞ্জ জেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো পূণ্যার্থী সমবেত হইয়েছিলেন। পূণ্যার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে রামকৃষ্ণ মিশন এলাকা। শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভক্তরাই নন, পূজায় মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মের লোকজনেরও সমাগম ঘটে।

কুমারী পূজা দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়ে হিমশিম খেতে দেখা গেছে আয়োজকদের। কুমারী পূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা কঠোর পরিশ্রম করেন। ওই এলাকাকে যানজট মুক্ত রাখতেও নেয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। এছাড়াও একটি মেডিকেল টিম বসানো হয়।

কুমারী পুজার নির্বিঘ্ন আয়োজনে শহরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ প্রশাসন। রামকৃষ্ণ মিশনের পুরো এলাকাসহ বিভিন্ন মন্ডপ নিয়ে আসা হয় ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরার আওতায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি