১২ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

সিলেটে নয়াসড়কে মিনার ভেঙে বিপর্যস্ত নগরীর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেট প্রতিনিধি:নগরীর নয়াসড়ক জামে মসজিদের মিনার ভাঙতে গিয়ে তা রাস্তায় ভেঙে পড়ার কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নগরীর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। দুপুর থেকে সন্ধ্যা সোয়া ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছে নগরীর অনেক এলাকা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।

জানা যায়, পুনর্নির্মাণের জন্য সোমবার নয়াসড়ক জামে মসজিদের মিনার ভাঙার কাজ করছিলো সিটি করপোরেশন। কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ভাঙার কাজ করায় দুপুর সোয়া ১২টায় দিকে পুরো মিনার ভেঙে পড়ে সড়ক ও বিদ্যুতের তারের উপর। এতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে ও খুঁটি হেলে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে যায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। একজন মোটরসাইকেল আরোহী আহতও হন।

দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকেই নগরীর নয়াসড়ক, জিন্দাবাজার, বারুতখানা, জেল রোড, কাজীটুলা, মানিকপুর রোডসহ অনেকে এলাকা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছে।

এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার দে বলেন, সিটি করপোরেশনের একটা ভূমিকম্প ঘটিয়ে ফেলছে। তাদের পরিকল্পনাহীন কাজে আমরা বিপদে পড়েছি। অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। অনেকগুলো পুল, ফিডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো মেরামত করে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে আমরা কাজ করছি। আমাদের ৫০/৬০ জন কর্মী দুর্ঘটনার পর থেকেই কাজ করছেন। তবে পুরো কাজ শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। অনেকগুলো লাইন ছিঁড়ে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি