1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় । কেশবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা। কয়রায় জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল । কেসিসিতে শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী পালন। বিলাইছড়িতে জিয়াউর রহমান এঁর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুর সঃ ডিগ্রি কলেজ এইচএসসি ব্যাচ ২০০৭-এর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। শ্যামনগরে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে এক শিশুর করুণ মৃত্যু। বিলাইছড়িতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাউল বিতরণ। কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরে গাছ পড়ে  ফারুয়ার রুবেল অল্পের জন্য বেঁচে গেল। কয়রায় গরু বোঝাই নসিমন উল্টে ১জনের মৃত্য।

সাগরের লঘুচাপ,পূর্নিমার জোয়ারের প্রভাব ও ভারী বর্ষায় বাগেরহাটের উপকূল প্লাবিত

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ২৮৪ বার পঠিত

মোঃ আনিসুর রহমান, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।

 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ, পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাব ও ভারী বর্ষায় বাগেরহাটের উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েশ পরিবার।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে শরণখোলা উপজেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় গড়ে ৯৩ দশমিক ৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। বৃষ্টি অব্যহত থাকলে বর্ষাকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।
শরণখোলা উপজেলার তালবুনিয়া আশ্রয়ন প্রকল্প, রায়েন্দা বাজারের পূর্ব এলাকা ও বান্ধাকাটাসহ সাউথখালির বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষ রয়েছেন চরম দুর্ভোগে।

এদিকে, বাগেরহাট পৌর শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা বৃষ্টির পানিতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে অনেক কাচা-পাকা রাস্তাঘাট। ভেসে গেছে চিংড়ি ঘের ও পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে ফসলী জমি। এছাড়া শরণখোলার বলেশ্বর, মোরেলগঞ্জের পানগুছি, মোংলার পশুর, বাগেরহাটের ভৈরব, দড়াটানাসহ সব নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে
সদর উপজেলার যাত্রাপুর এলাকার শেখ বাদশা নামের একজন বলেন, রাতে বৃষ্টি হয়েছে। সকালে উঠে দেখি রাস্তায় হাঁটুপানি। অনেকের দোকানের ভিতরে পানি ঢুকে পড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকার সড়কে পানি উঠে যায়। এ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগও নেই। একটু বৃষ্টি হলেই আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না।

হাড়িখালী মাঝিডাঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার সোহরাব হোসাইন রতন বলেন, শুধু বৃষ্টি নয় জোয়ার হলেই এলাকায় পানি উঠে যায়। দুর্ভোগে পড়তে হয় আমাদের। জলাবদ্ধতা নিরসনে লোক দেখানো নয় কার্যকরি উদ্যেগ নিতে হবে। যাতে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা রোধ করা যায়। না হলে আমাদের দুর্ভোগ কখনো যাবে না। শরণখোলা উপজেলার তালতলী এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সবুর বয়াতি, আবুল হারেস খানসহ কয়েকজন বলেন, বৃষ্টির ফলে আমরা ঘরে থাকতে পারিনি। ঘরের ভিতরে পানি উঠে গেছে। কখন পানি নামবে বুঝতেছিনা। রান্না-খাওয়াও বন্ধ হয়ে গেছে।

মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বহরবুনিয়া গ্রামের রিয়াদুল ইসলাম, রাকিব হাসানসহ কয়েকজন বলেন, রাতেই আমাদের অনেক ঘের ভেসে গেছে। সকালের জোয়ারে পানি আরও বেড়েছে। ঘের থেকে মাছও বের হয়ে গেছে।

চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া বিলের মৎস্য চাষী জাহিদুর রহমান বলেন, কয়েকদিন আগেই ইয়াসে ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। অনেক টাকার মাছ ভেসে গেছে সেই সময়। এখন যদি ঘের আবার তলিয়ে যায় তবে আমাদের পথে বসতে হবে।
মোংলা উপজেলার চিলা,চাদপাই,সোনাইলতলা ইউনিয়ন সহ পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।অসংখ্য মৎস্য ঘেরও তলিয়ে গেছে।এছাড়া রামপাল উপজেলার মৎস্য ঘের ও ফসলি জমির অবস্থাও কুব খারাপ।ভারী বর্ষায় তালিয়ে গেছে অসংখ্য সবজি ক্ষেত।হতাসায় কৃষক।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বাগেরহাটের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাটে অবিরাম বৃষ্টিতে আউশ-আমনের বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে শরণখোলা উপজেলায়। এছাড়া জেলায় গড়ে ৯৩ দশমিক ৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যদি এভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে তবে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবীর বলেন, সুন্দরবনে পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে তিন থেকে সাড়ে তিন ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রজনন কেন্দ্র এলাকার পাকা রাস্তায় এক থেকে দেড় ফুট পানি ছিলো। এদিকে বুধবারও আকাশের অবস্থা ভালো হয়নি।নদীও রয়েছে উত্তাল এই অবস্থা আর দুএকদিন বিরাজ করলে জনজীবনে নেমে আসতে পারে আরও ভয়াবহ বিপর্যয়।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT