২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

শীতে রূপচর্চায় গুড়ের জাদু আপনাকে অবাক করবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোনাই নিউজ ডেস্ক: বাঙালির সাধারণত শেষ পাতে মিষ্টি ছাড়া চলে না। তার উপর আবার যদি হয় শীতকাল। তবে তো আর কথাই নেই। রুটির পর শেষ পাতে গুড় ছাড়া ভোজনরসিকরা কিছু ভাবতেই পারেন না। শীতের আমেজে তাড়িয়ে তাড়িয়ে গুড়ের স্বাদ উপভোগ করেন তাঁরা। গুড় খেয়ে শুধু যে মন ভরছে তা নয়।

গুড় খেলে আরও বেশি আকর্ষণীয়ও হয়ে উঠতে পারেন আপনি। তাই শীতের মরশুমে আরও মোহময়ী হয়ে ওঠার জন্য রোজ শেষ পাতে থাক গুড়। একটানা কয়েকদিন গুড় খাওয়ার পর নিজেই তফাত্‍টা বুঝতে পারবেন।

আপনি কি ব্রণর সমস্যায় জেরবার? বিভিন্ন কোম্পানির নানা ক্রিম মেখে কি আপনি বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন? আপনার এই সমস্যা সমাধানে ব্রহ্মাস্ত্র হতে পারে গুড়। প্রতিদিন অল্প একটুখানি গুড় খেলেই আপনার ত্বকের হারানো জেল্লা ফিরে পেতে পারেন। শুধু তাই নয় মিটতে পারে ব্রণর সমস্যাও। এছাড়াও মুখে থাকা নানা দাগও পরিষ্কার হওয়ার অব্যর্থ দাওয়াই গুড়।

ঘুম থেকে উঠে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কি আপনার মনে হয় বুড়িয়ে যাচ্ছেন? এই ভেবে আর কত সময় নষ্ট করবেন? সামান্য উপায়েই শেষ হতে পারে আপনার আক্ষেপের দিন। এবার থেকে রোজ একটু করে গুড় খাওয়া শুরু করুন। দিনকয়েকের মধ্যেই দেখতে পাবেন জাদু। দেখবেন গুড় খেয়েই ত্বকের বয়স কমে যাবে অনেকটাই। ফিরে পাবেন হারিয়ে যাওয়া ত্বকের জেল্লা।

চুল পরার সমস্যায় কি বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন? তবে আপনার জন্য অব্যর্থ দাওয়াই হতে পারে গুড়। একটি পাত্রে মুলতানি মাটি নিন। তাতে দু’চামচ গুড় দিন। সামান্য মধুও দিতে পারেন। এবার সামান্য জল দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। প্রতিদিন নিয়ম করে এই মিশ্রণটি চুলে লাগান। দশ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন দিনকয়েকের মধ্যেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন আপনি।

ত্বকের দাগছোপ দূর করার জন্য গুড়ের চেয়ে আর বেশি উপকারী বোধহয় কিছু হতেই পারে না। একটি পাত্রে টমেটোর রস নিন। তাতে এক চামচ গুড় দিন। কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মেশান তাতে। এবার ওই মিশ্রণটি মুখে মাখুন। ১৫ মিনিট এই মিশ্রণটি গালে লাগান। এরপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহখানেক এই মিশ্রণটি ব্যবহারের পর তফাত্‍ নিজে চোখেই দেখতে পাবেন আপনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি