২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

শাজাহানপুরে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী ও মুজিব পদক প্রদান উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাজিরুল ইসলাম, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার শাজাহানপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী ও মুজিব পদক প্রদান অনুষ্ঠান নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

 

রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছা মুজিবের অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে দুস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা হলরুমে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত অনুষ্ঠানে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হন।

 

এই দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকল কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নু।

সকল কর্মসূচিতেই সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ।

 

আলোচনা সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশের মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম মুজিব যে কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী চিন্তা, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তার ফলে জাতির পিতার পাশাপাশি তিনি আজ বঙ্গমাতার আসনে অধিষ্ঠিত। এদেশের রাজনীতিতে তার অনন্য সাধারণ ভূমিকার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এই মহীয়সী নারী ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে স্বপরিবারে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। এসময় তিনি শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনাও করেছেন। এছাড়াও তিনি মহামারি করোনা হতে সুরক্ষায় সকলকে অতঙ্ক নয় সচেতন হতে পরামর্শ দিয়েছেন।

 

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ভিপি এম সুলতান আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেফাজত আরা মিরা, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আশিক খান, থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলীপ কুমার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক তালেবুল ইসলাম। অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন গোহাইল ইউপি চেয়ারম্যান আলী আতোয়ার তালুকদার ফজু, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবুল কালাম শামসুদ্দিন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা নূরে আলম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌফিক আজিজ, মৎস্য কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন সহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তর কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

 

অপর দিকে উপজেলার সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।