২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

লালমনিরহাটে লক্ষ্মী প্রতিমা রাস্তার মোড়ে ভেঙ্গে রাখায় থানায় অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের হাতুড়া (দেবদেবীরহাট)র দক্ষিণ পার্শ্বে তিনমাথা রাস্তার মাঝখানে সুসজ্জিত লক্ষ্মী প্রতিমা কে বা কাহারা ভেঙ্গে রেখেছে।

 

জানা গেছে, বুধবার (৪ আগস্ট) এস সাধন রায় নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মী প্রতিমা ভাঙ্গা ছবি ভাইরাল হয়েছে।

 

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের হাতুড়া (দেবদেবীরহাট)র দক্ষিণ পার্শ্বে তিনমাথা রাস্তায় কে বা কাহারা একটি লক্ষ্মী প্রতিমা ভেঙ্গে রেখে যায়। এস সাধন রায় ছবিগুলো তার ফেসবুকে পোস্ট করে। এই ছবিগুলো পোস্টের পর পরেই মুহুর্তে শত শত গ্রামবাসী তিন রাস্তার মোড়ে ভাঙ্গা প্রতিমাটি দেখতে ভীড় জমায়। বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এসেছে।

 

এদিকে বুধবার (৪ আগস্ট) রাতে বিশ্বনাথ রায় (৫৭) বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ০৩/০৮/২০২১ইং তারিখে প্রতিদিনের ন্যায় ঠাকুর ভক্তি করে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ০৪/০৮/২০২১ইং তারিখ সকাল ৮:০০ঘটিকার দিকে আমার ছোট ভাই শ্রী কৃষ্ণ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী শ্রীমতি শেফালী রাণী বাড়ির বাহিরে উঠানের লক্ষ্মী প্রতিমাকে পূজা দেয়ার জন্য গিয়ে দেখতে পান মন্দিরে লক্ষ্মী প্রতিমাটি নেই। তিনি সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করিয়া ডাকিলে আমি, আমার স্ত্রী, আমার সন্তানসহ সকলে গিয়ে দেখতে পাই ঠাকুর ঘরের দরজা খোলা ও ঘরের ভিতরে লক্ষ্মী প্রতিমাটি নেই। অনেক লোকজনকে ঘটনার বিষয়ে জানিয়ে আমার হারিয়ে যাওয়া প্রতিমাটি খুঁজতে থাকি। কিছুক্ষণ পর লোকমুখে শুনতে পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখি আমার বাড়ির পশ্চিম পাশে অনুমানিক ৫শত গজ দূরে দেবদেবীরহাটের দক্ষিণ পাশে তিন মাথা রাস্তার মাঝ খানে কে বা কাহারা আমার লক্ষ্মী প্রতিমাটি ভেঙ্গে ফেলে রেখেছে। পরবর্তিতে রাত্রি ৮:০০ঘটিকায় ভাঙ্গা লক্ষ্মী প্রতিমাটি আমার ছেলে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে রাখেন। উক্ত ঘটনার কারনে আমার পরিবারের লোকজন, এলাকাবাসীসহ সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মর্মাহত ও ভীষণ আতংকিত।

 

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।