১৭ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

যুব রেড ক্রিসেন্ট এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

যুব রেড ক্রিসেন্ট এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান
হোসেন মিন্টুঃ
চট্টগ্রাম- ২৭ নভেম্বর ২০১৮,
আগামী ফেব্রুয়ারীতে চট্টগ্রাম নগরে জাতীয় ক্যাম্প অনুষ্টানের জন্য ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্টানগতভাবে সকল ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে চসিক কেবিআবদুস সাত্তার মিলনায়তনে বার্ষিক রেডক্রস রেড ক্রিসেন্ট প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ ও সোসাইটির নবনিযুক্ত সোসাইটির বোর্ড সদস্য এম.এ. ছালাম এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে চট্টগ্রাম রেড ক্রিসেন্ট সিটি ইউনিটের চেয়ারম্যান সিটি মেয়র একথা বলেন। যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সিটি ইউনিটের সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট ভাইস চেয়ারম্যান এবং বিডিআরসিএস ব্যবস্থাপনা বোর্ড সদস্য ডাঃ শেখ শফিউল আজম, সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ও বিডিআরসিএস নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা বোর্ড সদস্য এম এ ছালাম, বিডিআরসিএস চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের সেক্রেটারী আবদুল জব্বার, সভাপতিত্ব করেন যুব রেড ক্রিসেন্ট,চট্টগ্রামের যুব প্রধান মোঃ ইসমাইল হক চৌধুরী ফয়সাল । অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক ও এইচ এম সোহেল । উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের কার্যকরী সদস্য সাফকাত জাহান, মহসিন উদ্দিন চৌধুরী ফয়সাল, আনোয়ার আজম, মজুরুল হক, ক্সসয়দ আদনান হোসাইন, সিটি ইউনিট এর লেভেল অফিসার আজরুউদ্দিন সাফদার, যুব রেড ক্রিসেন্ট প্রাক্তন যুব প্রধান গোলাম বাকি মাসুদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, কাজী তৌফিকুর আজম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন নেতৃত্ব বিকাশের জন্য প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই। একজন প্রশিক্ষিত যুবক সমাজের অহংকার। মানবতার সেবার জন্য প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ যুব রেড়ক্রিসেন্ট সদস্যরা নিজেদেরকে আর্দশ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একধাপ এগিয়েছে। ত্যাগী মনোভাব মূলত মানব সেবার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অভিভাবকের দায়িত্ব হচ্ছে আলোকিত মানুষ হিসেবে নিজেরদের গড়ে তোলা।মেয়র দেশের পক্ষে দেশ প্রেমে উদ্ধুত হওয়ার জন্য সকলকে আহবান জানান।
সংবর্ধিত অতিথি জনাব এম.এ ছালাম বলেন, দীর্ঘ ৬ বছর পর আমরা আবারও ক্যাম্প আয়োজন করতে যাচ্ছি। নবনিযুক্ত ম্যানেজিং বোর্ড সদস্য হিসেবে সকল ধরণের সহযোগিতার করা হবে। তিনি সহ বর্তমানে ২জন বোর্ড সদস্য। নতুন দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে মানবতার কাজে আরো দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের এ ধরনের আয়োজনে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে ২০১৮ সনে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৫৪ টি প্রতিষ্ঠানে ১৭৬৪ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালে যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের আওতায় সম্পন্ন হওয়া স্কুল কলেজ ইউনিটে ১ম,২য়.ও ৩য় স্থান অর্জনকারীদের সনদ প্রদান করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।