১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ময়মনসিংহ মেডিকেলে প্রাণ গেল আরও ২১ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় ছয়জন ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) মমেক হাসপাতাল করোনা ইউনিটের ফোকালপারসন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

করোনায় মৃতরা হলেন- ময়মনসিংহ সদর উপজেলার রহিমা (৬৫), তারাকান্দার ইলিয়াস আলী (৭০), ত্রিশালের আব্দুল কুদ্দুস (৭০), কিশোরগঞ্জ সদরের হাজী মহিউদ্দীন (৬৮), জামালপুর সদরের আসমা (৭০), টাঙ্গাইল সদরের আব্দুর সাত্তার (৪০)।

উপসর্গ নিয়ে মৃতরা হলেন- ময়মনসিংহ সদরের বাজেদ আলী (৭৫), রহিমা খাতুন (৪০), সকুরজান (৬০), ফজিলা খাতুন (৬০), আনোয়ারা বেগম (৬৫), নজরুল (৭০), নান্দাইলের আমেনা (৬০), ঈশ্বরগঞ্জের রোকনউদ্দিন (৪০), গফরগাঁওয়ের রেহেনা খাতুন (৭৫), ভালুকার জালাল (৬০), গৌরীপুরের আরিফ (১৬), জামালপুর সদরের হজরত আলী (৭০), দেওয়ানগঞ্জের হেলেনা (৫০), নেত্রকোনার কেন্দুয়ার নয়ন মিঞা (৪০) ও টাঙ্গাইল সদরের মোসলেম উদ্দীন (৭০)।

তিনি আরও বলেন, আইসিইউতে ২২ জনসহ মোট ৫৮০ জন হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৬ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮ জন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ও অ্যান্টিজেন টেস্টে এক হাজার ৫৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি