২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম ময়লাযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর ছবি সাঁটানো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি ।।হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে চলছে কর্মকর্তার অফিস ফাঁকি ও ব্যাপক অনিয়ম। গত সোমবার সকাল ১১টায় তার অফিস কক্ষে গিয়ে দেখা যায় তার কক্ষটি অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর সাঁটানো ছবিগুলো ছিল ময়লাযুক্ত। নেমপ্লেইটেও কর্মকর্তার নাম নেই। বিগত ১৩ই জুন ২০১৩ সালে মাধবপুর প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি মাসিক বেতন নেওয়ার সময় অফিসে আসেন। হাজিরা খাতা খুলে দেখা যায় মাসে অধিকাংশ দিনই তিনি উপস্থিত থাকেন না। অভিযোগ পাওয়া গেছে সরকার থেকে প্রাপ্ত প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইল চেয়ার, কমোড চেয়ার, হিয়ারিং মেশিন সহ সরঞ্জামাদি সুষ্ঠুভাবে বিতরণ হয় না। তিনি মনগড়া ভাবে বিতরণ করেন। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে মোবাইলে পাওয়া যায়নি। বিষয়গুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মল্লিকা দে কে অবগত করা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তিনি অবগত নন কিন্তু এখন থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি