১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

মাধবপুরে করোনা মোকাবেলা প্রস্তুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কোভিড-১৯ নভেল করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য জরুরী সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

করোনা ভাইরাস সনাক্ত হলে জরুরী সেবা দেওয়ার জন্য ২ টি রুমে ৮ টি বেড প্রস্তুত করে রেখেছেন কর্তৃপক্ষ।

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাধবপুর উপজেলায় জরুরী সেবা দিতে কি কি প্রস্তুত রাখা হয়েছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা এ এইচ এম ইশতিয়াক মামুন জানান,

উপজেলায় পর্যায়ে ৫টি জরুরী বেড প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা থাকলেও আমরা আমাদের সক্ষমতা অনুযায়ী ২ টি রুমে ৮ টি বেডের ব্যবস্থা রেখেছি। প্রয়োজনে আরো ৭/৮ টি বেডের ব্যবস্থা করা যাবে।পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা আলাদা রুম।

তিনি জানান,বর্তমানে মাধবপুর উপজেলায় ৮১ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে।তাদের মাঝে কারো এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের লক্ষন দেখা যায় নাই। লক্ষণ পেলেই দ্রুত আমরা ব্যবস্থা নেব।

মাধবপুরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। বাড়ী বাড়ী গিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

লোক সমাগম করে সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং বন্ধ করা হয়েছে।

নিত্যপণ্যের দাম যাতে বৃদ্ধি না পায় সেদিকে মনিটরিং করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি