1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে ‘ফারিয়া’র উদ্যোগে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান। শ্যামনগরে দলিত নারী, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান। পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমনে এক মৌয়াল গুরুতর আহত। কয়রায় ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ জেলা পর্যায়ে কেশবপুর উপজেলার গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য। কয়রায় মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন । কেশবপুরে ইটের রাস্তায় ৫০ গজের মধ্যে তিনটি স্পিড ব্রেকার: প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সভাপতি জুলমাত ও বিদ্যোৎসাহী নুরুজ্জামান। কয়রায় দূর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ নারী-শিশুদের জন্য সুপেয় পানির দাবীতে মানববন্ধন।

বেনাপোল পোষ্ট অফিসে সঞ্চয় পত্রের মুনাফা ভোগীরা হয়রানীর শিকার: দুর-দুরান্ত থেকে আসা বয়স্করা বিপাকে

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১৮৪ বার পঠিত

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল পোষ্ট অফিসে সঞ্চয় পত্রের মুনাফা ভোগীরা প্রতিদিন হয়রানীর শিকার হচ্ছে। দুর-দুরান্ত থেকে আসা বয়স্করা পড়ছে বিপাকে। পোষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ তাদের মুনাফার টাকা না দিয়ে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। তারা বলছে ক্যাশে টাকা নেই। যশোর পোষ্ট অফিস থেকে টাকা আসলে টাকা দেয়া হবে। কিন্তু যশোর পোষ্ট অফিস থেকে সঠিক সময়ে টাকা না আসার কারনে তাদের এই ভোগান্তি। অনেক সঞ্চয় পত্রের মালিক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের এ সঞ্চয় পত্রের মুনাফার টাকার উপর সংসার চলে। চলে বাচ্চাদের লেখা-পড়াসহ সংসারের সমস্ত ব্যয়। কিন্তু তারা মুনাফার টাকা নিতে এসে নানা ভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছে। মুনাফা দেয়ার তারিখ শেষ হলেও পোষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত দেখাচ্ছে। মুকুল হোসেন নামে একজন সঞ্চয় পত্রের মালিক জানান আজ তিন দিন ধরে আসছি এবং ফিরে যাচ্ছি কিন্তু মুনাফার টাকা দিচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চল থেকে আসা বয়স্করা পড়ছে বিপাকে তাছাড়া যাদের সাথে বাচ্চা আছে তাদের ও ভোগান্তির শেষ নেই।
বেনাপোল পোষ্ট অফিসের পোষ্ট মাস্টার শেখ জুলফিকার আলী জানান এ পোষ্ট অফিসে পেনশন সঞ্চয় পত্র আছে ১০৬ জনের, ৩ মাস অন্তর মুনাফা ভোগীদের সংখ্যা ২হাজার ৫শত ৬২ জন, পরিবার সঞ্চয় পত্র আছে ১ হাজার ২শত ৬০ জনের এবং বাংলাদেশ সঞ্চয় পত্র আছে ১ হাজার ১শত ৭৭ জনের। যার প্রতিদিন মুনাফা দিতে হয় ১০ লাখ টাকা। কিন্তু আমার এ অফিসে মুনাফা দেয়ার ক্ষমতা আছে ২ লাখ টাকা। বিধায় প্রতিদিন যশোর পোষ্ট অফিসের প্রধান কার্য্যালয় থেকে টাকা নিয়ে এসে এসব মুনাফা দিতে হয়। এ জন্য সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া যশোরে টাকা চাইলেই তারা টাকা পাঠায় না । সময় লেগে যায় টাকা আসতে।
এ সময় কয়েকজন উপস্থিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিতে আসা মালিক জানান আমাদের সঞ্চয় পত্রের মেয়াদ এবার শেষ হলে আমরা আর পোষ্ট অফিসে টাকা রাখবো না। অন্য পথ খুঁজবো। এ ব্যাপারে সচেতন মহল পোষ্ট অফিসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT