১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নাটোরে র‌্যাবের অভিযানে ডোপ টেস্টে ১০ মাদকসেবী আটক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সোহাগ আরেফিন ( নাটোর জেলা প্রতিনিধি) ।

 

নাটোরে মাদকবিরোধী অভিযানে ডোপ টেস্ট এর মাধ্যমে ১০জন মাদকসেবীকে আটক করেছে র‌্যাব। (৭ আগস্ট) শনিবার রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে নাটোর সদর উপজেলার একডালা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

আটককৃতরা হলেন, নারায়ণ পুর এলাকার করিম প্রামাণিকের ছেলে লিটন (২৬), উত্তর চৌকিরপাড় এলাকার সুশান্ত কর্মকার এর ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২১), বড়হরিশপুর এলাকার হাসেন আলী এর ছেলে শাহিন আলম (২২), রামনগর আখেরের মোড় এলাকার মৃত আরিফুল ইসলাম এর ছেলে সাগর ইসলাম (২০), জালালাবাদ এলাকার মোহাম্মদ হান্নান এর ছেলে সোহেল রানা (২২) ও মোহাম্মদ সামাদ এর ছেলে নাঈম ইসলাম (১৯), উত্তর চৌকিরপাড় এলাকার মৃত তবি এর ছেলে নুর ইসলাম (৩৫) ও মৃত সিকিম আলীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (৪৫), কাঠালবাড়িয়া এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে ফরহাদ শাওন (৩২) ও উত্তর পটুয়াপাড়া এলাকার মৃত কাশেম আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৪৮)।

 

র‌্যাব-৫ রাজশাহী সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্প হতে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল ৭ আগস্ট শনিবার রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত নাটোর জেলার সদর থানাধীন একডালা গ্রামে কোম্পানী কমান্ডার মেজর সানরিয়া চৌধুরী এর নেতৃত্বে একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় গাঁজা এক গ্রাম, লোহার কাটার একটি ও একটি কাঠের টুকরোসহ তাদের আটক করা হয়। পরে অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় মাদকসেবীদের আটক করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ডোপ টেস্ট এর মাধ্যমে ১০ জনের ক্ষেত্রে পজেটিভ আসায় তাদের আটক করা হয়।

 

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত মাদকসেবীগণ বিভিন্ন এলাকা থেকে উল্লেখিত স্থানে একত্রিত হয়ে মাদক সেবন করেছে এবং নেশাগ্রস্থ অবস্থায় এলাকার জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট ও জনবিরক্তিকর আচরণ করে অপরাধ করেছে বলে সাক্ষীদের সম্মুখে স্বীকার করে।

 

এ ঘটনায় নাটোর জেলার সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি