1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় । কেশবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা। কয়রায় জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল । কেসিসিতে শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী পালন। বিলাইছড়িতে জিয়াউর রহমান এঁর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুর সঃ ডিগ্রি কলেজ এইচএসসি ব্যাচ ২০০৭-এর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। শ্যামনগরে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে এক শিশুর করুণ মৃত্যু। বিলাইছড়িতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাউল বিতরণ। কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরে গাছ পড়ে  ফারুয়ার রুবেল অল্পের জন্য বেঁচে গেল। কয়রায় গরু বোঝাই নসিমন উল্টে ১জনের মৃত্য।

দীঘিনালায় বিদ্যুৎ নিয়ে ভেলকিবাজি

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩৫৯ বার পঠিত

আবদুল জলিল, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নাম শুনলেই শিউরে উঠে গ্রাহকরা। ট্রান্সফরমার স্থাপনে এলাকাবাসীদের থেকে অর্থ আদায়, মনগড়া মাসিক বিল সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র দ্বায়িত্বরতদের বিরুদ্ধে। তারমাঝে বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এখন নিত্যদিনের রুটিন।

অভিযোগ রয়েছে বহুদিন ধরে দীঘিনালা উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাচ্ছেন না। সামান্য ঝড়ো হাওয়া বা বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ ভেলকিবাজিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ ভোগান্তি সঙ্গে নিয়েই যুগ যুগ কাটিয়ে দিচ্ছেন তারা।

উপজেলার কবাখালীর জামাল হোসেন বলেন, সাধারণত ট্রান্সফরমার নষ্ট হলে সরকারিভাবে নতুন ট্রান্সফরমার লাগাতে সময় লেগে যায়। তাই বেসরকারিভাবে দ্রুত নতুন ট্রান্সফরমার লাগাতে গাড়িভাড়া বাবদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়।

রশিক নগর এলাকার মনসুর আলম হিরা বলেন, নতুন লাইন স্থাপনে কিছু দালালচক্র বিদ্যুৎ বিভাগের নাম ভাঙিয়ে এলাকাবাসী থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের খতিয়ে দেখা উচিৎ।

থানা পাড়া এলাকার বশির আহমেদ রাজু বলেন, আমার মিটারে বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে মোট ১৪শ ইউনিট কিন্তু এ পর্যন্ত ১৬শ ইউনিটের বিল জমা দিয়েছি। বিষয়টি কতৃপক্ষকে জানালে পরবর্তীতে ঠিক করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে বিল নিয়ে ভোগান্তির বিষয়টি আরও কয়েকজন গ্রাহক অভিযোগ করেছেন। মোটকথা বিদ্যুৎ ভোগান্তি থেকে রেহাই চায় এলাকাবাসী।

দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, জনবল সংকটের কারনে মিটার দেখে বিল করতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়। তারপরও আমরা গ্রাহকদের মিটার অনুযায়ী বিল করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। আর লাইনে ত্রুটি না হলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়না।

আর ট্রান্সফরমার স্থাপনে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি মিথ্যা অভিযোগ করে তিনি আরোও বলেন, গ্রাহকদের অনুরোধ করবো নতুন মিটার স্থাপনে সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করতে। কোন দালালের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অযথা বিদ্যুৎ বিভাগকে দোষারোপ করবেননা।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT