1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে ‘ফারিয়া’র উদ্যোগে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান। শ্যামনগরে দলিত নারী, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান। পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমনে এক মৌয়াল গুরুতর আহত। কয়রায় ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ জেলা পর্যায়ে কেশবপুর উপজেলার গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য। কয়রায় মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন । কেশবপুরে ইটের রাস্তায় ৫০ গজের মধ্যে তিনটি স্পিড ব্রেকার: প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সভাপতি জুলমাত ও বিদ্যোৎসাহী নুরুজ্জামান। কয়রায় দূর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ নারী-শিশুদের জন্য সুপেয় পানির দাবীতে মানববন্ধন।

দীঘিনালায় বিদ্যুৎ নিয়ে ভেলকিবাজি

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩৫৪ বার পঠিত

আবদুল জলিল, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নাম শুনলেই শিউরে উঠে গ্রাহকরা। ট্রান্সফরমার স্থাপনে এলাকাবাসীদের থেকে অর্থ আদায়, মনগড়া মাসিক বিল সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র দ্বায়িত্বরতদের বিরুদ্ধে। তারমাঝে বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এখন নিত্যদিনের রুটিন।

অভিযোগ রয়েছে বহুদিন ধরে দীঘিনালা উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাচ্ছেন না। সামান্য ঝড়ো হাওয়া বা বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ ভেলকিবাজিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ ভোগান্তি সঙ্গে নিয়েই যুগ যুগ কাটিয়ে দিচ্ছেন তারা।

উপজেলার কবাখালীর জামাল হোসেন বলেন, সাধারণত ট্রান্সফরমার নষ্ট হলে সরকারিভাবে নতুন ট্রান্সফরমার লাগাতে সময় লেগে যায়। তাই বেসরকারিভাবে দ্রুত নতুন ট্রান্সফরমার লাগাতে গাড়িভাড়া বাবদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়।

রশিক নগর এলাকার মনসুর আলম হিরা বলেন, নতুন লাইন স্থাপনে কিছু দালালচক্র বিদ্যুৎ বিভাগের নাম ভাঙিয়ে এলাকাবাসী থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের খতিয়ে দেখা উচিৎ।

থানা পাড়া এলাকার বশির আহমেদ রাজু বলেন, আমার মিটারে বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে মোট ১৪শ ইউনিট কিন্তু এ পর্যন্ত ১৬শ ইউনিটের বিল জমা দিয়েছি। বিষয়টি কতৃপক্ষকে জানালে পরবর্তীতে ঠিক করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে বিল নিয়ে ভোগান্তির বিষয়টি আরও কয়েকজন গ্রাহক অভিযোগ করেছেন। মোটকথা বিদ্যুৎ ভোগান্তি থেকে রেহাই চায় এলাকাবাসী।

দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, জনবল সংকটের কারনে মিটার দেখে বিল করতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়। তারপরও আমরা গ্রাহকদের মিটার অনুযায়ী বিল করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। আর লাইনে ত্রুটি না হলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়না।

আর ট্রান্সফরমার স্থাপনে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি মিথ্যা অভিযোগ করে তিনি আরোও বলেন, গ্রাহকদের অনুরোধ করবো নতুন মিটার স্থাপনে সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করতে। কোন দালালের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অযথা বিদ্যুৎ বিভাগকে দোষারোপ করবেননা।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT