1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ইফতার মাহফিল। রাজৈরে সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ইফতার মহফিল। জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন খুলনা মহানগর শাখার দোয়া ও ইফতার মাহফিল। কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান। পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী। ভারত থেকে বাড়তি ৫০ হাজার টন ডিজেল জ্বালানি আমদানির আগ্রহ বাংলাদেশের। বাংলাদেশের কাছে পাত্তা পেল না পাকিস্তান। সাতক্ষীরায় পাঁচটি মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি সংগঠিত। মুক্তাগাছায় সাংবাদিকদের সাথে ওয়ার্ল্ড ভিশনের মতবিনিময়। কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার।

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ১৬৬ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর এতে করে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন জায়গা ভাঙ্গণ কবলিত হয়েছে।

 

আজ শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকালে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তর অঞ্চল রংপুর প্রধান প্রকৌশলী জোতি প্রসাদ ঘোষ। এ সময় তার সাথে ছিলেন লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

 

জানা গেছে, উজানের পাহাড়ী ঢল ও হালকা বৃষ্টিতে আবারও তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে বিপৎসীমার ১৫সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২দশমিক ৭০সেন্টিমিটার।

 

ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে প্রধান প্রকৌশলী, ভাঙ্গণ নিরসনে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন ও সরকারের নেয়া নানা কর্মসূচি সম্পর্কে স্থানীয়দের অবহিত করেন।

 

এ সময় উত্তর অঞ্চল রংপুর প্রধান প্রকৌশলী জোতি প্রসাদ ঘোষ নৌকা যোগে ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ইতিমধ্যে পূর্বের ভাঙ্গণ কবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখলাম, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছি। এই এলাকার জন্য ৫০কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমানে প্ল্যানিং কমিশনে রয়েছে। ইনশাল্লাহ আগামিতে তিস্তার এই তীরবর্তী এলাকা ভাঙ্গণ মুক্ত হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT