২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

জাল টাকা তৈরি চক্রের সদস্য,মাদক ব্যবসায়ী,পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইকারী সহ, চাঁদাবাজ চক্রের ৩ জনআটক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আলমগীর হোসেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি।

চুয়াডাঙ্গা জেলার মাননীয় পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনাই অফিসার ইনচার্জ দর্শনা থানা জনাব মোঃ মাহাব্বুর রহমান কাজলরের নেতৃত্বে এস আই খান আব্দুর রহমান এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানাধীন কুড়ালগাছি গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাল টাকা তৈরি চক্রের সদস্য, চাঁদাবাজ চক্রের হোতা, মাদক ব্যবসায়ী পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইকারী সহ এক ডর্জন মামলার আসামি মোঃ মাসুদ রানা (৩৫) , মোঃ আব্দুল আল মুবিন(২০) ও মানিক (২৫) নামের ৩ চাঁদাবাজ আটক করেন।

আটককৃত হলো চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানাধীন কুড়ুলগাছি গ্রামের মতলেব হোসেনের ছেলে মো: মাসুদ রানা, একই গ্রামের খোকানের ছেলে মো: মানিক, আব্দুর রহিমের ছেলে আব্দুল আল মুবিন। রোববার রাতভর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুড়ুলগাছি মাঠ থেকে তাদের কে আটক করে। উদ্ধার করা হয় চাঁদার নগদ ১০ হাজার টাকা ও ২ টি মোবাইল।

দর্শনা থানাধীনা কুড়ালগাছি গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা খাতুন (৪৪) কে মোবাইল ফোনে তার স্বামী সাইফুল ইসলাম কে হত্যার হুমকি দিয়ে নগদ ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মাসুদ রানা ও তার সহযোগিরা। নগদ ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে পরে সেলিনা খাতুন কৌশলে চাঁদার আরও ১০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য মাসুদ রানা কে তার বসতবাড়িতে ডাকে।
এ সময় স্থানীয় সহযোগিতায় তাদেরকে আটক করার চেষ্টা করলে মনিক কে আটক হলেও বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ঘটনার পরই দর্শনা থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মানিকের স্বীকারোক্তি অভিযান চালিয়ে জাল টাকার তৈরি চক্রের সদস্য, মাদক কারবারি, পুলিশ পরিচয় ছিনতাই মামলা সহ এক ডজন মামলার আসামি মোঃ মাসুদ রানা ও আব্দুল আল মুবিন কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।