২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনের ফ্রী রক্তদান কর্মসূচি পালিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এফ এইচ রাজু পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

 

মানবতার কল্যানে এগিয়ে আসা এক ঝাঁক তরুন প্রজন্মের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি নামক সংগঠনটি৷

 

এটি একটি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আসুন রক্ত দেই জীবন বাঁচাই! আপনার রক্তদানে বাঁচতে পারে একটি প্রাণ! জরুরি মূহুর্তে রক্তের প্রয়োজনে আমরা আছি আপনার পাসে এই স্লোগানকে সামনে রেখে সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে।

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস কে উপেক্ষা করে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনের পক্ষ থেকে ফ্রী রক্ত দান কর্মসূচি পালিত হয়।মানবতার ডাকে সারা দিয়ে রোগীর মুখে হাসি ফোটাতে নিজের মূল্য বান ( AB+) ২য় বার রক্ত দান করলেন জিসান, রক্তদানের স্থান পিরোজপুর সদর হাসপাতাল৷

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটির কেন্দ্রীয় পরিচালক ফয়সাল হাওলাদার।

নিজের মূল্য বান রক্ত (B+) প্রথম বার ডোনেট করলেন নাঈম ইসলাম, রক্তদানের স্থান ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এসময় উপস্থিত ছিলেন সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনের সহ-পরিচালক শামীম হাওলাদার।

 

রংপুর বিভাগে ৭ম বারের মত ফ্রী রক্তদান করলেন নূর আমল রক্তের গ্রুপ (O+)

ও ৭ম বারের মত ফ্রী রক্তদান করলেন আসিক কাফি রক্তের গ্রুপ (O+) রক্তডোনেট করেন রংপুর বিভাগের বন্ধু হাসপাতালে।

তখন উপস্থিত ছিলেন সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনের রংপুর বিভাগের সদস্য তাসকিন আহমেদ কাজল।

 

এছাড়াও রংপুর বিভাগের জলঢাকায় প্রথম B+ রক্তদান করলেন ইউসুফ, এসময় উপস্থিত ছিলেন সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনের রংপুর বিভাগের প্রধান সদস্য রাজিয়া সুলতানা,

 

খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রথম বারের মত B+ ব্লাড ফ্রী ডোনেট করেন রাতুল ইসলাম। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহ সভাপতি সাদিয়া ইসলামি মাহি।

 

সেইপ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি কেন্দ্রীয় পরিচালকরা বলেন আলহামদুলিল্লাহ আজ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সেইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি সংগঠনের পক্ষ থেকে ফ্রী রক্তদান কর্মসূচিতে দেশের যে প্রান্ত থেকে সংগঠনের মাধ্যমে রক্ত ডোনেট করছে তাদেরকে সংগঠনে পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

 

একই সাথে যারা ডোনারদের সাথে থেকে তাদের শক্তি ও সাহস যুগিয়েছে তাদেরকেও সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

আসুন রক্ত দেই জীবন চাই!!

জয় হোক মানবতার৷

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি