২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে পিআরএল (অবসর) গমনকারী সহকর্মীদ্বয়কে আনুষ্ঠানিকতা ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখলো জেলা পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আলমগীর হোসেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি,,

 

০১লা আগস্ট রবিবার দুপুর ১১.৩০ ঘটিকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে পিআরএল ( স্বেচ্ছায় অবসর ), গমনকারী এএসআই(নিঃ) জনাব আব্দুল মজিদ ও কনস্টেবল মোঃ মশিউর রহমান দ্বয়কে চুয়াডাঙ্গার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম মহোদয় কর্মজীবনে সততা, কর্মনিষ্ঠা ও সাহসীকতার সাথে অতিবাহিত করার জন্য তাদেরকে ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন এবং আনুষ্ঠানিকতার সাথে সুসজ্জিত গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

 

এএসআই(নিঃ) জনাব আব্দুল মজিদ ও কনস্টেবল মোঃ মশিউর রহমান চাকরি শেষে নিজ কর্মস্থল হতে এমন সম্মানজনক বিদায় পেয়ে অনেকটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা এমন আয়োজনের জন্য সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। চাকুরী হতে অবসরে যাবার শেষ দিনটাতে নিজ কর্মস্থল থেকে বাড়ি পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকতার সাথে সুসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়িতে যাওয়া অবশ্যই প্রত্যেকটি পুলিশ সদস্যের জন্য অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের। এএসআই (নিঃ) আব্দুল মজিদ বলেন, চাকুরী জীবনে তো কত সহকর্মীকেই অবসরে যেতে দেখেছি কিন্তু তাদের অধিকাংশকেই নিরবে চলে যেতে হয়েছে। সে ক্ষেত্রে আমরা নিশ্চয় ভাগ্যবান।

 

এসময় উপস্থিত থেকে বিদায় জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব আবু তারেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) জনাব কনক কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব জাহাঙ্গীর আলম সহ চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি