২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

খুলনায় করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খুলনা প্রতিনিধি।

 

খুলনায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর সংখ্যা। দিন দিন করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার লক্ষে সাধারণ মানুষ আগ্রহী হয়ে করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করার বিষয়টি সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

জণগণের সচেতনতা ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের ইচ্ছাশক্তির কারনে মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ৬ হাজার ৫শ’ ৩৫ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ছয়শত ২১ এবং মহিলা দুই হাজার নয়শত ১৪ জন। বুধবারে ৬ হাজার ৯শ’ ৬ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করে। যার মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৭শ ১২ এবং মহিলা ৩ হাজার ১শ’ ৯৪ জন। মঙ্গলবার ৭ হাজার পাঁচশত ৫৩ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করে।

 

যার মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৪৭ এবং মহিলা তিন হাজার পাঁচশত ছয় জন। সোমবার ৭ হাজার ৮শ’ ১৬ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন। যার মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ২শ’ ৫৩ এবং মহিলা ৩ হাজার ৫শ’ ৬৩ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৮ হাজার ৪শ’ ২২ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। বৃহস্পতিবার খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন হাজার আটশত জন এবং আট উপজেলায় মোট দুই হাজার সাতশত ৩৫ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।

 

উপজেলাগুলোর মধ্যে বটিয়াঘাটা দুইশত ২০ জন, দিঘলিয়ায় দুইশত ৬৯ জন, ডুমুরিয়ায় তিনশত ৮৮ জন, ফুলতলায় চারশত ৯০ জন, কয়রায় তিনশত ৬৯ জন, পাইকগাছায় একশত ৯০ জন, রূপসায় তিনশত ৮৮ জন এবং তেরখাদায় চারশত ২১ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি