২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কেশবপুরে মজিদপুর ইউনিয়নে ৪টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কেশবপুরে মজিদপুর ইউনিয়নে ৪টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের
জাতীয় শোক দিবস পালন

আজিজুর রহমান,জেলা (যশোর)প্রতিনিধি:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে ২৬ আগস্ট শনিবার বিকেলে কেশবপুর উপজেলার ৩নং মজিদপুর ইউনিয়নের ৬,৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে পৃথক পৃথক ভাবে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।
যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার কেশবপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের ৯৯টি ওয়ার্ডে ও ১টি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচী পালনের জন্য ৫ হাজার কেজি চাউল ও নগদ ৬ লাখ টাকা প্রদান করেছেন। ৩নং মজিদপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় লক্ষীনাথকাঠি দাখিল মাদ্রাসার মাঠে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়,দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ,সহ-দপ্তর সম্পাদক মনোজ তরফদার,কোষাধক্ষ্য স্বপন মুখার্জি,কার্যানির্বাহীন কমিটির
সদস্য শেখর রঞ্জন দাস,উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ হাসান, উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক সরদার মুনছুর আলী,পৌর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ,সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন,মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মশিয়ার রহমান পিরো,
পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আমানুর রহমান খান,উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা আব্দুল লতিফ রানা,মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা,পৌর,ইউনিয়ন,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি