২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কালিয়া ডাবল মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভূক্ত আসামি আটক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কালিয়া(নড়াইল) প্রতিনিধিঃ

 

নড়াইলের কালিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাবল মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ জামির শেখ কে পার্শ্ববর্তী জেলা যশোরের অভয়নগর থানার বাশুয়াড়ী পুলিশ ক্যাম্প এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামি কালিয়া উপজেলার আমতলা গ্রামের মরফুদুল শেখের ছেলে এবং সি আর ৬৮১২ ও ৪৬৬ মামলার আসামী।

কালিয়া থানাসূত্রে জানা যায়, আসামী জামির শেখ দীর্ঘদিন যাবত দুইটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত হওয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী যশোর জেলার অভয়নগর থানাধীন বাশুয়ারী ক্যাম্প এলাকায় আত্মগোপনে ছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার(২০আগস্ট) সকালে কালিয়া থানার এ এস আই সায়েম এর নেতৃত্বে কনস্টেবল পার্থ, মেহেদী, সোহেল সহ একটি দল অভিযান চালিয়ে আসামী জামির শেখকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেখ কনি মিয়া বলেন,

নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় এর নির্দেশনায় আসামী জামির শেখকে অভয়নগর থানার বাশুয়ারী ক্যাম্প এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।

আসামীকে নড়াইলের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি