২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

এসএস স্টীলের আইপিও লটারির তারিখ নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিজয় দত্ত॥
শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া এসএস স্টীলের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) লটারি ড্রয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে। লটারির তারিখ নির্ধারিত হলেও এখনো ভ্যানু নির্ধারণ করেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে লটারির ভ্যানু জানিয়ে দেওয়া হবে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিও আবেদন সম্পন্ন হয়। এর আগে গত ১৭ জুলাই মঙ্গলবার বিএসইসির ৬৫১তম কমিশন সভায় এসএস স্টিলের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

এসএস স্টিল লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা ইস্যু মূল্যের ২ কোটি ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার আইপিও এর মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয় এবং স্থাপন, ভবন নির্মাণ এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্পদ মূল্যায়ন না করে প্রকৃত সম্পদ মূল্য(এনএভি) হয়েছে ১২ টাকা। আর সম্পদ মূল্যায়ন করে এনএভি হয়েছে ১৫.৩৫ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা। আর ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি ওয়েটেড এভারেজ হয়েছে ০.৮২ টাকা।

এদিকে, ২০১৭-২০১৮ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই’১৭ থেকে মার্চ’১৮ পর্যন্ত কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৫৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ৪১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ১.০২ টাকা।

এই সময়ে কোম্পানিটির সম্পদ মূল্যায়ন সহ শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬.১০ টাকা এবং সম্পদ মূল্যায়ন ছাড়া এনএভি হয়েছে ১৩.১০ টাকা। যা ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত বছরে সম্পদ মূল্যায়ন সহ এনএভি ছিল ১৫.৩৫ টাকা এবং সম্পদ মূল্যায়ন ছাড়া এনএভি ছিল ১২ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৮৪ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.৮৮ টাকা।

৩১ মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত কোম্পানিটির মেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৪৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫৫ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং স্বল্প মেয়াদি ঋণের পরিমাণ ১৩৯ কোটি ৬৪ লাখ ২৯ হাজার ৭৪১ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি