২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

।সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই: সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এফ এইচ রাজু পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

 

মুজিব বর্ষ ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ এর নবম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিকতায় বুনিয়াদী ও তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ-২০২১ প্রদান করছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বি এম এস

 

দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বি এম এস এফ এর সদস্যরা প্রথম ব্যাচে ৯০ জন এবং পরবর্তী ব্যাচে ১০০ জন করে এই পর্যন্ত ২৯০ জন সাংবাদিক ভার্চুয়াল এ প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছেন। চলমান পরবর্তী চতুর্থ ব্যাচের প্রশিক্ষণ আগামী ২০ আগস্ট রাত ৯ টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রশিক্ষণ বিভাগ

 

ভার্চুয়াল এই প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে জুম মিটিং অ্যাপস ৷ এতে মোবাইল ফোন,ল্যাপটপ, কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটের সাহায্যে প্রশিক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারীদের পাঠানো লিংকে ক্লিক করে যেকোনো স্থান থেকেই অনায়াসে প্রশিক্ষণে যুক্ত হতে পারছেন সাংবাদিকরা

 

ভার্চুয়াল এই প্রশিক্ষণের প্রধান আলোচক আহমেদ আবু জাফর, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম- বি এম এস

 

প্রধান অতিথি ছিলেন আবু জাফর সূর্য, সাবেক সভাপতি, ডিইউজে৷ আফাজউদ্দিন বিপ্লব, প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশ

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন, এডভোকেট মো. কাওসার হোসেন৷ বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক, ইজাজ আহমেদ মিলন (সমকাল)৷ রতন সরকার, (সময় টেলিভিশন) আফরোজা সরকার, সেহলী পারভীন, আবুল হাসান বেলাল, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক, তাওহীদ হাসান প্রমু

 

প্রশিক্ষণে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সাইবার ট্রাইব্যুনাল, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ আইন ২০১১ সহ সাংবাদিকতায় প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ প্রদান ও সাংবাদিকদের করা প্রশ্ন উত্তর সহ তাদের সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে

 

প্রশিক্ষণের প্রধান আলোচক আহমেদ আবু জাফর বলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বি এম এস এফ এর উদ্যোগে চলমান এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আপাতত ভার্চুয়াল ভাবে বিনামূল্যে প্রদান করা অব্যাহত থাকবে এবং পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে সরাসরি প্রশিক্ষণ প্রদান করার চেষ্টাও অব্যাহত থাকবে যাতে করে দেশের প্রতিটি সাংবাদিক আমাদের এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সনদ গ্রহণ করতে পারে

 

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন ভার্চুয়াল এই প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আমরা বি এম এস এফ নামক সংগঠনে সদস্য সংগ্রহ করছি, আমরা একটি ওয়েবসাইটে বি এম এম এস সদস্য ফরম দিয়েছি এর মাধ্যমে আগ্রহী যে কোনো সাংবাদিক আমাদের সদস্য হতে পারবে

 

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন সহ ১৪ দফা দাবি আদায় আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথা বলেন, সেই সাথে সাংবাদিকদের দাবী আদায় করার জন্য দেশের সকল সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান৷

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।