1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা।

ভর্তির অপেক্ষারত অবস্থায় মেঝেতেই ঢলে পড়লেন সিরাজ ব্যাপারী

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১
  • ২৩১ বার পঠিত

 

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর থেকে ঃ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগ। ভর্তির অপেক্ষায় বসে আছেন সারি সারি রোগী। এখানেই বসে অপেক্ষা করছিলেন করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা সিরাজ ব্যাপারী (৬৫)। অপেক্ষা যেন শেষ হয় না। একসময় মেঝেতে ঢলে পড়েন তিনি।

রোগীর মেয়ে রোকেয়া বেগম বলেন, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলান ফনি শেখ গ্রামের বাসিন্দা তার বাবা সিরাজ ব্যাপারী সাপ্তাহখানেক ধরে অসুস্থ। স্থানীয় চিকিৎসক দেখিয়ে বাসায় রেখে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে নিয়ে যান চাঁদপুর সদর হাসপাতালে। এরপর শুরু হয় তার শ্বাসকষ্ট।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেখান থেকে চিকিৎসকরা ঢামেক হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখানে এসে জানতে পারেন সিট ফাঁকা নেই। অপেক্ষা করতে থাকেন। এখানে আসা অন্য রোগীর স্বজনদের এদিক ওদিক ছুটাছুটির সময়ে একসময় দেখেন তার বাবা মেঝেতে পড়ে গেছেন।

পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্মরত ওয়ার্ড বয়রা পরীক্ষা করেন অক্সিজেন লেভেল ৮০। দ্রুত তাকে অক্সিজেন লাগানো হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আরও অপেক্ষা করতে হবে। একটি সিট ফাঁকা হলেই তাকে ভর্তি দেওয়া হবে।

করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগে ভর্তির রেজিস্ট্রার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে ৩০ জন রোগী ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই সিটের অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নিচ্ছি। যে পরিমাণ রোগীর চাপ বাড়ছে। সামনে কী করবো বলতে পারছি না।

হঠাৎ করে এতো রোগী বাড়ার কারণ কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রথমত সচেতনতার অভাব। তেমন কেউ স্বাস্থ্য বিধি মানছে না। তাই রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এখন সকলেরই সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই রোগীর চাপ কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

আশরাফুল আলম বলেন, রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনরাও স্বাস্থ্যবিধি মানেন না। এতে করে ওই স্বজনদেরও সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই সকলকে সচেতন হতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT