1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এ্যাড.দীপেন দেওয়ান  পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ । কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ। খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন কয়রার সেরাজুল ইসলাম সবুজ । জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন সুরক্ষায় সব ধরনের বনজীবী ও পর্যটকদের ৩ মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক বাংলার প্রত্যয় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি পরেশ দেবনাথের জন্মদিনে শুভেচ্ছা। সমন্বয় করতে গিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। মারা গেছেন তোফায়েল আহমেদ। বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় । কেশবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা। কয়রায় জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ।

সিলেটে নয়াসড়কে মিনার ভেঙে বিপর্যস্ত নগরীর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৫২ বার পঠিত

সিলেট প্রতিনিধি:নগরীর নয়াসড়ক জামে মসজিদের মিনার ভাঙতে গিয়ে তা রাস্তায় ভেঙে পড়ার কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নগরীর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। দুপুর থেকে সন্ধ্যা সোয়া ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছে নগরীর অনেক এলাকা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।

জানা যায়, পুনর্নির্মাণের জন্য সোমবার নয়াসড়ক জামে মসজিদের মিনার ভাঙার কাজ করছিলো সিটি করপোরেশন। কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ভাঙার কাজ করায় দুপুর সোয়া ১২টায় দিকে পুরো মিনার ভেঙে পড়ে সড়ক ও বিদ্যুতের তারের উপর। এতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে ও খুঁটি হেলে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে যায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। একজন মোটরসাইকেল আরোহী আহতও হন।

দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকেই নগরীর নয়াসড়ক, জিন্দাবাজার, বারুতখানা, জেল রোড, কাজীটুলা, মানিকপুর রোডসহ অনেকে এলাকা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছে।

এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার দে বলেন, সিটি করপোরেশনের একটা ভূমিকম্প ঘটিয়ে ফেলছে। তাদের পরিকল্পনাহীন কাজে আমরা বিপদে পড়েছি। অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। অনেকগুলো পুল, ফিডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো মেরামত করে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে আমরা কাজ করছি। আমাদের ৫০/৬০ জন কর্মী দুর্ঘটনার পর থেকেই কাজ করছেন। তবে পুরো কাজ শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। অনেকগুলো লাইন ছিঁড়ে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT