
শ্রী মিশুক চন্দ্র
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী- জনাব মোঃ নুরুল হক নূর এমপি।সামনে কঠিন সময় আসছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার বলেছেন, ‘এই যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করছে। তেলের দাম বাড়বে, জিনিসপত্রের দাম বাড়বে এগুলোকে সয়ে নিয়েই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা দেশে কোনো মব তৈরি হতে দেব না, মবকে কঠোর হস্তে দমন করব।গলাচিপায় পেট্রোল ও অকটেনের দাম নিয়ে কিছু অসাধু দোকানদার সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে বাইরে থেকে আসা যাত্রী এবং স্থানীয় গাড়িচালকরা পড়েছেন চরম সংকটে। অতিরিক্ত দামে তেল কিনতে বাধ্য হওয়ায় ভাড়াও বেড়ে যাচ্ছে, যার চাপ বহন করতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে।
এভাবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কারণে তেলের সাপ্লাই কম। এর মধ্যেই হঠাৎ দেখা গেল পটুয়াখালী – জেলা কিছু দোকানে পেট্রোল বেশি টাকা তেল বিক্রি করে। তাদের কারনে কারও কোনো অভিযোগ থাকলে তা দায়িত্বশীলদের জানাতে হবে। সবাই সাবধান থাকবেন, গায়ের জোরে আইনের বাইরে কেউ কোনো কাজ করার চেষ্টা করবেন না।
কৃষি, কৃষকের উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মাছ চাষ ও হাঁস পালনের উদ্দেশ্যে সরকারের এই খাল খননকাজে যেন কোনো অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন এলজিআরডি । পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই খাল খননের কাজ যেন সুন্দরভাবে হয় এবং মানুষ যেন খুশি হয়। কেউ যেন কোনো অভিযোগ করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন। মানুষ যেন বলতে না পারে যে শুধু কাজের উদ্বোধনই হয়েছে, পরে আর কোনো কাজ হয়নি। এমনটা যেন না হয়।
নুরুল হক নুর তার বক্তব্যে বলেন, আমরা কাজের মাধ্যমে, ইবাদতের মাধ্যমে, হালাল উপার্জনের মাধ্যমে এবং সৎ থেকে বেহেশতে যাব। আমরা অন্যদের মতো ধর্মকে ব্যবহার করে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করি না।’
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ড, খাল খননের পাশাপাশি কৃষি কার্ডও দেওয়া হবে। কারণ কৃষকের উন্নয়ন হলেই বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে।
জেলা প্রশাসক সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন
এবং ডাকুয়া ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মকবুল খান বিএনপি । এ সময় সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।