1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যান পরিষদের মানববন্ধন। রাজনৈতিক স্বার্থে কাউকে রাজাকার বা জঙ্গি আখ্যা দেওয়ার সংস্কৃতি জনগণ আর গ্রহণ করছে না। সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, আর সঙ্গে না থাকলে জঙ্গি- এই দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে গেছে।”-অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার। চালককে আঘাত করে রিক্সা ছিনতাই। ভাটা ও জমির মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মাটি বিক্রি করায় ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন। বিলাইছড়িতে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি। দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে ৬ শ  কার্ডধারীদের মাঝে  চাউল বিতরণ । বিলাইছড়ির ১১ দলীয় ঐক্যজোট রিক্সার প্রতীক আবু বকর সিদ্দিক এঁর পথ সভা। বিলাইছড়ি ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি বিতরণ । নদী খননের কারণে আশ্রয়স্থল হলো পশুর হাটে। কয়রা হাসপাতালের উদ্যোগে পল্লী চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় ।

রাজনৈতিক স্বার্থে কাউকে রাজাকার বা জঙ্গি আখ্যা দেওয়ার সংস্কৃতি জনগণ আর গ্রহণ করছে না। সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, আর সঙ্গে না থাকলে জঙ্গি- এই দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে গেছে।”-অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১৯৯১ ও ২০০০ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটে জামায়াতের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সময় যুদ্ধাপরাধ-জঙ্গি এসব অভিযোগ তোলা হয়নি। রাজনৈতিক স্বার্থে কাউকে রাজাকার বা জঙ্গি আখ্যা দেওয়ার সংস্কৃতি জনগণ আর গ্রহণ করছে না। সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, আর সঙ্গে না থাকলে জঙ্গি- এই দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে গেছে।”
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান খুলনার জনসভায় জামায়াতের আমিরকে মিথ্যাবাদী বলে আখ্যা দিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। লন্ডন থেকে এসে উনি কে কাফের, কে মুনাফেক এই ফতোয়া দিচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, এর আগেও আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীসহ বিভিন্ন আলেমকে একই ভাবে আক্রমণ করা হয়েছিল। সা¤প্রতিক সময়ে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ্যাকাউন্ট হ্যাক করে উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, ওই এ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ ডাকা হয়। এতেই প্রমানিত হয় কারা এ হ্যাকিং-এর সাথে জড়িত। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তৃতায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, আগামীতে কেউ ভোট ডাকাতি করতে এলে ছাত্রসমাজ তার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, “আমরা সজাগ আছি, প্রস্তুত আছি। আমার ভোটাধিকার আমি নিয়ে ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।”
ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুর রশীদ বিশ্বাসের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় সহকারী গবেষণা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলা সহ-সভাপতি মুফতি আবদুল কাইয়ুম জমাদ্দার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এড. আবু ইউসুফ মোল্লা ও হাফেজ আমিনুল ইসলাম, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ ফকির, সেক্রেটারি মোমিনুর রহমান, চুকনগর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাফেজ সাইদুল ইসলাম, ড. একরাম উদ্দিন সুমন, রাবির হাবিবুর রহমান হলের ভিপি আহমেদ আতাউল্লাহ ফারহান, ঢাবি ছাত্রশিবির নেতা আহমদ আতাউল্লাহ সালমান, ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি ডাঃ হরিদাস মন্ডল, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মন্ডল, মাওলানা হাবিবুর রহমান, খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মাওলানা আবু সাঈদ মাহমুদ, শ্রমিক নেতা মাওলানা সাইদুল্লাহ, শেখ মোসলেম উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল হালিম, শেখ আবুল হোসেন, মাওলানা মতিয়ার রহমান, হাফেজ মইন উদ্দিন প্রমুখ।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তাদের জীবদ্দশায় এসব বিতর্ক ছিল না। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের উদাহরণ দিয়ে তিনি দাবি করেন, জামায়াত এককভাবে ১৮টি আসন পেয়েছিল এবং তখন উভয় বড় দলই জামায়াতের সমর্থন চেয়েছিল। তখন জামায়াত যুদ্ধাপরাধী ছিল না। পুরোনো বিতর্ক তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ আর নেই উল্লেখ করে তিনি এবার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহŸান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT