1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মনিরামপুরে এক সফল আঙ্গুর চাষী আকবর ভাই। বিয়ের পিঁড়িতে বসা হল না সৈকতের। দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার সাজ্জাদ হোসেনের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবে জনতার বিস্ফোরণ বিলাইছড়িতে বুদ্ধপূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বিলাইছড়িতে মহান মে দিবস পালিত । খুলনা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দেরকে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন । বিলাইছড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে  পালবার লিং সেন্টার কর্তৃক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ । খুলনার লবণচড়া থানা এলাকায় গুলির ঘটনা। মহেন্দ্রদী জালালখাঁর বাড়ীর জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এখন ‘মরণফাঁদ’: ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। কয়রায় সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় ।

কয়রায় বনকর্তার বিরুদ্ধে জেলেদের  সংবাদ সম্মেলন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৬০ বার পঠিত

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ

 সুন্দরবনের সংরক্ষিত অভয়ারণ্যে অবৈধভাবে মাছ ধরার সুযোগ দিতে জেলেদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ গ্রহণ এবং পরে সেই জেলেদেরই নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর মতো অভিযোগ উঠেছে খুলনা রেঞ্জের ভোমরখালী টহল ফাঁড়ীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে। অগ্রিম টাকা পরিশোধ করার পরও প্রতারণা করে সাত জন গরীব জেলেকে আটক করে বন আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জেলেরা। 

৬ অক্টোবর, সোমবার বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলেদের পক্ষে ৪নং কয়রা গ্রামের মোঃ রজব আলী এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে রজব আলী দাবি করেন, ওসি আব্দুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে ১০টি জেলে নৌকাকে অভয়ারণ্যে প্রবেশের সুযোগ দিতেন। বিনিময়ে প্রতি দশ দিনে (এক গোনে) নৌকা প্রতি ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা অগ্রিম নিতেন। তিনি জানান, ওসি এই ঘুষের টাকার একটি অংশ ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের’ দিতে হয় বলে দাবি করতেন। তবে সম্প্রতি ওসি আব্দুল হাকিম অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে অন্য দালালচক্রের জেলেদের সুযোগ দিতে শুরু করেন এবং তাঁর দলের জেলেদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেন। রজব আলীর অভিযোগ, এর আগে টাকা লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে মহাজনের কাছে থাকা হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশট থাকলেও, ওসি প্রতারণার পর সেই কথোপকথন মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অগ্রিম টাকা পরিশোধ থাকা সত্ত্বেও গত ২ অক্টোবর ওসি আব্দুল হাকিম তাদের দলের সাতজন জেলেকে আটক করে আরও টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় দুই দিন আটকে রেখে গত ৫ অক্টোবর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। রজব আলী আরও অভিযোগ করে বলেন, আটক জেলেদের নৌকায় পাঁচশ কেজির বেশি মাছ ছিল, কিন্তু ওসি হাকিম আদালতে মাত্র ৫০ কেজি দেখিয়ে বাকি মাছ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ওসি আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও কারাগারে পাঠানো গরীব জেলেদের মুক্তির দাবী জানিয়েছেন।

 এ ব্যাপারে বন কর্মকর্তার কাছে জানার জন্য একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কয়রা, খুলনা প্রতিনিধি 

তারিখঃ ০৬/১০/২৫ ইং।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT