1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মাগুরাতে ঘোড়াদৌড় দেখতে মানুষের ভিড়। ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৩৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক। এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ। বাগেরহাটে ঐতিহ্যবাহী ষাটগম্বুজ মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত। খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত। কয়রা টু ঢাকা রুটে স্টার ডিলাক্স পরিবহন সার্ভিসের উদ্বোধন। কুষ্টিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই পরিবারের চারজনের উপর সন্ত্রাসী হসমলা। রাঙ্গামাটির দুর্গম  দুমদুম্যা ইউনিয়নে আগুনে ঘর পুড়ে সবকিছু হারালো সুনিল । পুকুর থেকে নবজাতকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার।

কয়রায় নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১৫ মে, ২০২২
  • ১৭৫ বার পঠিত

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ
খুলনার কয়রা উপজেলায় চাহিদার তুলনায় সাইক্লোন সেল্টারের সংখ্যা কম। দুর্যোগের সময় ৩ লক্ষাধিক মানুষের জন্য সাইক্লোন সেল্টার রয়েছে মাত্র ১১৭টি। এর ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপজেলার অনেক মানুষকে একই রুমে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সেখানে পর্যাপ্ত থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নেই নারী-পুরুষের জন্য আলাদা টয়লেট ব্যবস্থাও। এ কারণে দুর্যোগের সময় উপজেলাবাসীকে চরম সংকটে পড়তে হয়। এলাকাবাসী জানায়, সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় উপজেলা কয়রা ৭টি ইউনিয়নের ১৩১টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। কপোতাক্ষ, শাকবাড়িয়া, শিবসা ও আড়পাঙ্গাসীয়া নদী বেষ্টিত উপজেলাবাসীকে আতংকগ্রস্ত করে রেখেছে সারা বছর। অমাবশ্যা ও পূর্ণিমার সময় জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে যেকোনো গ্রাম প্লাবিত হয়। এ সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয়স্থল খোঁজে সে সময় একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো সাইক্লোন সেল্টার। প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, আম্ফান ও ইয়াসের আতঙ্ক কেটে গেলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আতঙ্ক কাটেনি উপকূলীয় জনপদ কয়রাবাসীর। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও আশ্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ আশ্রয়কেন্দ্র নেই। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে দুর্যোগের সময় ৩ লক্ষাধিক মানুষের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে ৯৮টি। ফায়েল খায়ের ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে ১৯টি। দক্ষিণ বেদকাশীর জোড়শিং গ্রামের দুর্গাপদ মিস্ত্রি (৫৫) বলেন, প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। প্রতিটি মুহূর্ত নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস আর ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংবাদ বয়ে আনে। তারপরেও সমস্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে বসবাস করছি। উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আমাদী ইউনিয়ন ছাড়া বাকি ৬টি ইউনিয়ন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো। সেজন্য ৬টি ইউনিয়নে আরও সাইকোন শেল্টার নির্মাণ দরকার। উপেজলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাগর হোসেন সৈকত বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্চ্বাসে প্লাবিত হওয়ার আতঙ্ক রয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল কয়রার প্রায় ৩ লাখ মানুষ। দুর্যোগের সময় ওইসব মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য আরও সাইক্লোন শেল্টার প্রয়োজন। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা যেকোনো দুর্যোগের সময় মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ জরুরি। যা রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপকূলবাসীর আশ্রয়ের জন্য সরকারের তত্ত্ববধানে আরও ৩০০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য প্রস্তাব পাঠনো হয়েছে।

কয়রা, খুলনা প্রতিনিধি
তারিখঃ- ১৫/০৫/২২ ইং।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT