1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তিন মাস পর ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে। বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ। বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন। কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। সাগরদাঁড়িতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা। বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত।

উল্লাপাড়ায় ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৬৭ বার পঠিত

এইচ এম মাহবুবুর রহমান (সিরাজগঞ্জ) জেলা প্রতিনিধিঃ

 

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ভুল চিকিৎসায় চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার শ্যামলীপাড়ায় অবস্থিত জননী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে মালিকপক্ষ পলাতক রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার(২৩ নভেম্বর ) সকালে শিশুটির পরিবারের লোকজন ক্লিনিকে ভাঙচুর চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ।

 

শিশুর মা সুমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে সুমনার পিঠে ফোড়া ওঠায় গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে আমার ভাইকে নিয়ে ফোড়া অপারেশনের জন্য স্থানীয় জননী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক আহসানুল হকের কাছে যাই। সেখানে চিকিৎসক আমার মেয়েকে দেখে রক্ত পরীক্ষাসহ নানা ধরনের পরীক্ষা করতে দেয়। পরে পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক আহসানুল হক সুমনার পিঠে পরপর পাঁচটি ইনজেকশন প্রয়োগ করে। এ সময় আমার মেয়ে চিৎকার করে বলে, ‘‘মা আমি আর বাঁচব না’’। তারপরই আমার মেয়ের খিঁচুনি শুরু হয় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।’

 

শিশু সুমনার মামা মুনিয়া মিয়া বলেন, ‘আমার ভাগনিকে নিয়ে যখন ক্লিনিকে গেলাম, তখন চিকিৎসক তাকে দেখে অপারেশনের কথা জানান এবং কিছু ওষুধ আনতে বলেন। এরপর সুমনাকে জোর করে পরপর পাঁচটা ইনজেকশন প্রয়োগ করে বলেন, একটু ঠান্ডা হলে নিয়ে আসবেন, ফোড়া কেটে বের করে দেওয়া হবে। এরপর সুমনার খিঁচুনি শুরু হয়। তখন অক্সিজেন দেওয়ার জন্য তাকে একটা রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে বলেন সুমনার অপারেশনের জন্য আপনাদের একটা সই লাগবে। ডাক্তার এই কথা বলে আমাদের কাছ থেকে জোর করে সই নিয়ে নেন। পরে আমাদের আর রুমের ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। আমরা এই চিকিৎসকের শাস্তি চাই।’

এ বিষয়ে স্থানীয় জোমেলা বেগম বলেন, ‘সুমনা সুস্থভাবে হেঁটে বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু ক্লিনিকে যাওয়ার পর ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় তাকে লাশ হয়ে বাসায় ফিরতে হয়। আমরা এই কসাই চিকিৎসকের বিচার চাই।’

 

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT