1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড। নবাগত ইউএনও-এর সাথে কেশবপুর থানা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ,। তিন মাস পর ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে। বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ। বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন। কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

ইউপি নির্বাচনে ৫১৩ জন বিনা ভোটে পাস: গণতন্ত্র হত্যার সর্বনাশা মহোৎসব, ………আ স ম আবদুর রব।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৭১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে ‘গণতন্ত্র হত্যার সর্বনাশা মহোৎসব’, ‘গণতন্ত্রের জীবনাবসান’ এবং ‘গণতন্ত্রহীনতা’র প্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক ও জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদে বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন প্রার্থীগণ। ইতিমধ্যে দুই ধাপে ৫১৩ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এটা গণতন্ত্র হত্যার সর্বনাশা আয়োজন। এর মাধ্যমে সমাজে বিদ্বেষ, জিঘাংসা এবং সহিংসতার বীজ রোপন করে দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিযোগিতাবিহীন নির্বাচনেও ২২ জন মানুষের মূল্যবান জীবন বিনষ্ট হয়েছে।

এটা আমাদের দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরল ঘটনা। স্থানীয় নির্বাচনে কখনোই এমন ঘটনা ঘটেনি। কিভাবে একটি দেশ সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় এক নিদর্শন। গণতন্ত্র হত্যায় অপহরণ, গুম ও ক্রসফায়ারের আতঙ্ক সরকারকে প্রণোদনা যুগিয়েছে।

এসব নির্বাচনে অন্যকে প্রার্থী হতে না দেয়া, প্রতিদ্বন্দ্বীকে নানা কৌশলের মাধ্যমে নির্বাচনে অযোগ্য করা, একপক্ষীয় নির্বাচনের আয়োজন করা, সরকার দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচনে বিজয়ী দেখানোর জন্য নির্বাচনী নাটক অনুষ্ঠান সবকিছুই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রের মৌলবাণীর বিপরীত।

সরকার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য বিগত ১২ বছরে ন্যূনতম গণতন্ত্রও যেন টেকসই হতে না পারে তার সকল ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করেছে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের সকল সম্ভাবনাকে অঙ্কুরে বিনাশ , বিরোধীদলকে বল প্রয়োগে দমন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ, এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব স্থাপন করায় আজকের এই নির্বাচন বিহীন অপসংস্কৃতির দৌরাত্ম্য স্থাপিত হয়েছে।

গণতন্ত্রবিহীন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার গণতান্ত্রিক লড়াই থেকেই বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। সুতরাং গণতন্ত্রই হবে রাষ্ট্রপরিচালনা এবং জাতীয়তাবাদ বিকাশের অন্যতম উৎস।

আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল দল ও মহলকে ‘গণতন্ত্র হত্যার’ সরকারি মহোৎসবের বিরুদ্ধে গণজাগরণ গড়ে তোলার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT