1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তারেক রহমানের সরকারে ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু হবে, আতঙ্ক নয়: হুইপ বকুল। মুক্তাগাছায় ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা। যশোরে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার ডায়মন্ডসহ ভারতীয় নাগরিক আটক। প্রথম নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছেন মিজ হুরে জান্নাত। মুক্তাগাছায় সরকারি দিঘির লীজধারীকে মাছ ধরতে বাঁধা ও মারধর। প্রেমের বিয়ের ৭ বছর পর স্ত্রীকে হত্যা: স্বামীর স্বীকারোক্তিতে উদঘাটিত রহস্য,মাগুরার পুলিশ সুপার প্রেস ব্রিফিং ১। এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে শুরু হয়েছে মধু আহরণ মৌসুম। শ্যামনগরে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময়সভা ও শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ। নিরাপদ খুলনা চাই সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। রাঙ্গামাট জেলা পরিষদের নেতৃত্বে এম এ সালাম ফকিরকে চায় জনগণ ।

ইউপি নির্বাচনে ৫১৩ জন বিনা ভোটে পাস: গণতন্ত্র হত্যার সর্বনাশা মহোৎসব, ………আ স ম আবদুর রব।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৪১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে ‘গণতন্ত্র হত্যার সর্বনাশা মহোৎসব’, ‘গণতন্ত্রের জীবনাবসান’ এবং ‘গণতন্ত্রহীনতা’র প্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক ও জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদে বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন প্রার্থীগণ। ইতিমধ্যে দুই ধাপে ৫১৩ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এটা গণতন্ত্র হত্যার সর্বনাশা আয়োজন। এর মাধ্যমে সমাজে বিদ্বেষ, জিঘাংসা এবং সহিংসতার বীজ রোপন করে দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিযোগিতাবিহীন নির্বাচনেও ২২ জন মানুষের মূল্যবান জীবন বিনষ্ট হয়েছে।

এটা আমাদের দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরল ঘটনা। স্থানীয় নির্বাচনে কখনোই এমন ঘটনা ঘটেনি। কিভাবে একটি দেশ সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় এক নিদর্শন। গণতন্ত্র হত্যায় অপহরণ, গুম ও ক্রসফায়ারের আতঙ্ক সরকারকে প্রণোদনা যুগিয়েছে।

এসব নির্বাচনে অন্যকে প্রার্থী হতে না দেয়া, প্রতিদ্বন্দ্বীকে নানা কৌশলের মাধ্যমে নির্বাচনে অযোগ্য করা, একপক্ষীয় নির্বাচনের আয়োজন করা, সরকার দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচনে বিজয়ী দেখানোর জন্য নির্বাচনী নাটক অনুষ্ঠান সবকিছুই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রের মৌলবাণীর বিপরীত।

সরকার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য বিগত ১২ বছরে ন্যূনতম গণতন্ত্রও যেন টেকসই হতে না পারে তার সকল ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করেছে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের সকল সম্ভাবনাকে অঙ্কুরে বিনাশ , বিরোধীদলকে বল প্রয়োগে দমন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ, এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব স্থাপন করায় আজকের এই নির্বাচন বিহীন অপসংস্কৃতির দৌরাত্ম্য স্থাপিত হয়েছে।

গণতন্ত্রবিহীন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার গণতান্ত্রিক লড়াই থেকেই বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। সুতরাং গণতন্ত্রই হবে রাষ্ট্রপরিচালনা এবং জাতীয়তাবাদ বিকাশের অন্যতম উৎস।

আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল দল ও মহলকে ‘গণতন্ত্র হত্যার’ সরকারি মহোৎসবের বিরুদ্ধে গণজাগরণ গড়ে তোলার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT