1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তারেক রহমানের সরকারে ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু হবে, আতঙ্ক নয়: হুইপ বকুল। মুক্তাগাছায় ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা। যশোরে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার ডায়মন্ডসহ ভারতীয় নাগরিক আটক। প্রথম নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছেন মিজ হুরে জান্নাত। মুক্তাগাছায় সরকারি দিঘির লীজধারীকে মাছ ধরতে বাঁধা ও মারধর। প্রেমের বিয়ের ৭ বছর পর স্ত্রীকে হত্যা: স্বামীর স্বীকারোক্তিতে উদঘাটিত রহস্য,মাগুরার পুলিশ সুপার প্রেস ব্রিফিং ১। এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে শুরু হয়েছে মধু আহরণ মৌসুম। শ্যামনগরে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময়সভা ও শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ। নিরাপদ খুলনা চাই সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। রাঙ্গামাট জেলা পরিষদের নেতৃত্বে এম এ সালাম ফকিরকে চায় জনগণ ।

সিলেটে এসে স্মৃতিকাতর অভিনেতা এজাজ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৬৮ বার পঠিত

 

ইবান হোসেন সদর(সিলেট) প্রতিনিধিঃ

 

সিলেটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর অনেক মধুর স্মৃতি। আছে বোনের বাড়ি। সিলেটের মাটি ও মানুষ টানে তাঁকে। তাই প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ছুটে আসেন পূণ্যভূমিতে। এভাবে আসলেন রবিবারও (১৪ নভেম্বর)।

 

ডা. এজাজুল ইসলাম। বৃহত্তর রংপুর তথা গাইবান্ধার কৃ‌তিসন্তান, যি‌নি রোগী দেখার ফি শিথিলযোগ্য করার জন্য গরিবের ডাক্তার হিসাবেও পরিচিত। ‌তিনি একজন নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা হলেও মূলত একজন ডাক্তার।

 

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে নাটকে আগমণ ডা. এজাজের। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’। এরপর তিনি দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি তারকাঁটা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্র অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হন।

 

বাবার চাকরির সুবাদে ডা. এজাজুল ইসলামের বেড়ে ওঠা ময়মনিংহে। ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর পাশ করে একজন ডাক্তার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি গাজীপুর চৌরাস্তায় একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখেন।

 

বড় বোনের স্বামীর চাকরির সুবাদে ডা. এজাজ প্রথম সিলেট আসেন। রবিবার (১৪ নভেম্বর) সিলেটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন তথ্য জানালেন তিনি। নগরীর একটি শপিং সেন্টারে একটি দোকানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

 

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, সিলেটে প্রথম আসেন তিনি চা বাগানে। সিলেটের একটি চা বাগানের ম্যানেজার ছিলেন ডা. এজাজের বড় বোনের স্বামী। সে সুবাদে প্রথম সিলেটে চা বাগান দেখতে আসেন তিনি। প্রথম দেখাতেই সিলেটকে তাঁর ভালো লাগে। পছন্দ হয় সিলেটের মাটি ও মানুষকে।

 

এরপর হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’-কে কেন্দ্র করে দ্বিতীয়বার সিলেট আসেন ডা. এজাজ। তবে সেবার সিলেট শহরে নয়, আসেন বিভাগের সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার একটি জমিদার বাড়িতে। সেখানে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ চলচ্চিত্রের শুটিং হওয়ার কথা ছিলো। পরে বিশেষ অসুবিধার কারণে সেখানে এ চলচ্চিত্রের শুটিং হয়নি।

 

ডা. এজাজ বলেন, ‘ওই সময় হুমায়ূন স্যারসহ আমরা সবাই প্রথম শাহজালাল রাহ. এর মাজার জিয়ারত করি। ওই দিন আমি আর হুমায়ূন স্যার একেবারে মাজার ঘেষে জিয়ারতে দাঁড়াই। আমার সিলেটের সবচাইতে মধুর স্মৃতি হচ্ছে সেটি।’

 

ডা. এজাজ জানান, তার সেই বড়বোনের (সিলেটের চা বাগানের ম্যানেজার) মারা গেছেন। বোন এখন আমেরিকার শিকাগোতে থাকেন। তবে ওই বোনের মেয়ে ও জামাই দুজনই সিলেট এম এ জি ওসামানী মেডিকেলের চিকিৎসক।

 

উল্লেখ্য, টিভি পর্দায় তুমুল জনপ্রিয় একটি মুখ ডাক্তার এজাজুল ইসলাম। এজাজুল ইসলাম মানেই বিনোদনে ঠাসা নাটক। অভিনয়ের পাশাপাশি চিকিৎসক হিসাবেও তিনি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন। গরিবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেতা। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

 

ডা. এজাজুল ইসলাম সরকার নির্ধারিত ৩০০ টাকা ফী-তে রোগী দেখে থাকেন। তার ভিজিট ফী কম হওয়ায় তাকে ‘গরীবের ডাক্তার’ নামে ডাকা হয়। তিনি ২০১৭ সালের অক্টোবরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন।

 

এদিকে, এজাজুল ইসলাম হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক সবুজ সাথী দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে হুমায়ূন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। চলচ্চিত্রটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪), নয় নাম্বার বিপদ সংকেত (২০০৬) ও আমার আছে জল (২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

 

২০০৫ সালে দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত কমেডি ধাঁচের টক ঝাল মিষ্টি ছায়াছবিতে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৬ সালে বাদল খন্দকার পরিচালিত বিদ্রোহী পদ্মায় নায়েব, তৌকির আহমেদ পরিচালিত রূপকথার গল্প-এ রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার, এসএ হক অলিক পরিচালিত হৃদয়ের কথায় দারোয়ান চরিত্রে অভিনয় করেন। পরের বছর জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত স্বামীর সংসার ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। একই বছর মতিন রহমান পরিচালিত রোমান্টিক-কমেডি তোমাকেই খুঁজছি ছায়াছবিতে অভিনয় করেন।

 

পরবর্তীতে অনন্য মামুন পরিচালিত খোঁজ-দ্য সার্চ (২০১০) এবং আশরাফুর রহমান পরিচালিত তুমি আসবে বলে (২০১২) মুক্তি পায়। ২০১৪ সালে তিনি মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এক কাপ চা, নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত কঠিন প্রতিশোধ ও ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত কি দারুণ দেখতে ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। তারকাঁটা চলচ্চিত্রে মুসা ভাই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT