1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নিরাপদ খুলনা চাই সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। রাঙ্গামাট জেলা পরিষদের নেতৃত্বে এম এ সালাম ফকিরকে চায় জনগণ । বিলাইছড়িতে মোটর সাইকেল মালিক সমিতির সিরিয়াল ও আইনশৃঙ্খলা  সভা । খুবি শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় খুবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় অন্তত ৭৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। খুবির আইন ডিসিপ্লিনের ছাত্রী মৌমিতা হালদারের মৃত্যুতে উপাচার্যের গভীর শোক প্রকাশ। চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক -২। শিববাড়ি মোড়ে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডে। বিলাইছড়িতে কৃষিবিয়ক প্রশিক্ষণ ও মাঠ পরিদর্শনে উপ-সচিব । শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত।

লালমনিরহাটে দেনমোহর আদায়ে মরিয়ম আক্তার লাকীর অভিনব প্রতারণা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৮২ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

 

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় তালাক প্রাপ্ত স্বামীর কাছ থেকে দেনমোহরের টাকা আদায়ে মরিয়ম আক্তার লাকীর বিরুদ্ধে অভিনব প্রতারণা অভিযোগ উঠেছে।

 

জানা যায়, গত ২৭ মে ২০০৮ সালে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান সরকারের ছেলের সাথে পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মাসুম আলীর কন্যা মরিয়ম আক্তার লাকীর সাথে ১লাখ ৫৫হাজার ৫শত ৫৫টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে ৫০হাজার টাকা নগদ বুঝায়ে দিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রি করেন শ্রীরামপুর ইউনিয়নের কাজী আব্দুল বারেক। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লাকী উশৃংখল জীবন যাপন করায় তাদের সংসারে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত। সংসারের তিন সন্তানের কথা চিন্তা করে স্বামী রাশেদ মেনন বিদ্যুৎ নিরবে সব সহ্য করেন। এবং স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লাকীকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী নিয়ে দেন।

 

গত ২৫ জুলাই মরিয়ম আক্তার লাকী ও পরকিয়া প্রেমিক বড়খাতা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ জাহিদুল হোসেন দুলু স্বামীর বাড়ীতে অনৈতিক কাজের উদ্দেশ্যে গেলে রাশেদ মেনন বিদ্যুৎ এর ছোট ভাই দেখে ফেলে। পরকিয়া প্রেমিক জাহিদুল হোসেন দুলু পালিয়ে যায়। পরে ২৭ জুলাই স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লাকীকে তার বড় ভাই সোহেল রানার কাছে দুইজন মেম্বার এর মাধ্যমে সুস্থ শরীরের বুঝায়ে দেন। সেই থেকে মরিয়ম আক্তার লাকী তার বাবার বাড়ীতে অবস্থান করে চাকুরী করে আসছেন।

 

এ বিষয়ে সংসার বাঁচানোর জন্য রাশেদ মেনন বিদ্যুত ২৬ জুলাই বউয়ের পরকিয়া প্রেমিক জাহিদুল হোসেন দুলুকে আসামী করে হাতীবান্ধা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।থানা পুলিশ উভয় পক্ষকে থানাতে ডেকে সংসার করতে বলে কিন্তু বউ মরিয়ম আক্তার সংসার করবে না মর্মে দেনমোহরের ৫লক্ষ ৫৫হাজার ৫শত ৫৫টাকা চায়। কিন্তু রাশেদ মেনন বিদ্যুত বলে বিবাহের দেনমোহরতো ১লক্ষ ৫৫হাজার ৫ শত ৫৫টাকা তাহলে ৫লক্ষ টাকা কেন দিবো।সমস্য সমাধান না হওয়ায় উভয় পক্ষই থানা ত্যাগ করে।

 

২ সেপ্টেম্বর রাশেদ মেনন বিদ্যুত নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে তালাক দেন। তালাকের নোটিশ পাবার পর ৪ অক্টোবর মরিয়ম আক্তার লাকী লালমনিরহাট কোর্টে রাশেদ মেমন বিদ্যুত এর বিরুদ্ধে ৫লক্ষ টাকার যৌতুকের মামলা করেন।

 

মরিয়ম আক্তার লাকী অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৪ সাল থেকে ৫লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে আসছেন স্বামী রাশেদ মেনন বিদ্যুত। বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য রাশেদ মেনন বিদ্যুত তার উপর অত্যাচার করেন। ২৫ জুলাই আবারো মরিয়ম আক্তারকে বাবার বাড়ী থেকে ৫লক্ষ টাকা এনে দেবার জন্য চাপ দেন। কিন্তু মরিয়ম আক্তার রাজি না হলে রাশেদ মেনন বিদ্যুত তার বড় ভাই সোহেল রানাকে ডেকে দুইজন মেম্বার এর উপস্থিতিতে মরিয়ম আক্তারকে বুঝায়ে দিয়ে বলেন টাকা দিয়ে বোনকে পাঠাবেন। কিন্তু ২৯ জুলাই ১টা ১৫মিনিটে দুই জনকে সাথে নিয়ে দোলাপাড়া এলাকায় রাশেদ মেনন বিদ্যুতের বাড়ীতে আসেন।রাশেদ মেনন কোন কথা না শুনে মরিয়ম আক্তারকে মেরে তাড়িয়ে দেন।

অসুস্থ মরিয়ম আক্তার পাটগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে রাশেদ মেননের নামে যৌতুক মামলা করেন।

 

আরও জানা যায়, ২০১৪ সাল নয় ২০০৮ সালে ১লক্ষ ৫৫হাজার ৫শত ৫৫টাকা দেন মোহর ধার্য্য করে নগন ৫০হাজার টাকা দেন মোহরে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার আব্দুল বারেক তাদের বিবাহ রেজিস্ট্রি করেন।পরে ২০১৪ সালে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার আব্দুল বারেক অনৈতিক সুভিধা নিয়ে দেনমোহর বাড়িয়ে ৫লক্ষ ৫৫হাজার ৫শত ৫৫টাকা করে নতুন করে বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন।

 

এমনকি মামলায় দেখানো ২৯ জুলাইয়ে মরিয়ম আক্তার লাকী তার কর্মস্থান বুড়াবাউরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছিলেন।

 

এ বিষয়ে বুড়াবাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামছুন্নাহার সাংবাদিকদের বলেন,মরিয়ম আক্তার লাকী আমার স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা। তিনি ২৯ জুলাই ১২টা ৪৫মিনিট পর্যন্ত স্কুল করেছেন। তিনি সাক্ষীদের নিয়ে স্বামীর বাড়ীতে কখন গেল আর হাসপাতালে ভর্তি কখন হলো আমিতো কিছু জানি না।

 

রাশেদ মেনন বিদ্যুত ও মরিয়ম আক্তার লাকীর বড় মেয়ে আবৃতি সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আমার মাকে আব্বু মারে নি।আম্মু মিথ্যা কথা বলছে।

 

রাশেদ মেনন বিদ্যুত সাংবাদিকদের বলেন, ভাই এই মেয়েকে বিয়ে করে আমার জীবন শেষ।আমি তাকে তালাক দিয়েছি। কিন্তু কাজীর দেনমোহর প্রতারণার কারনে দেনমোহর দিতে পারছি না।

 

মরিয়ম আক্তার লাকীর কাছে মামলা বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সংসার বাচাতে আমি মামলা করেছি। আপনি মামলায় বলেছেন আপনার বিয়ে হয়েছে ২০১৪ সালে আবার আপনার প্রথম সন্তান আবৃতির বয়স ১০বছর অথচ এটা ২০২১ সাল সে হিসেবে আপনার প্রথম সন্তানের বয়স ৮বছর নয় কি এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি দিতে পারেননি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT