1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। কেশবপুর বিএনপি’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার । কেশবপুর প্রেসক্লাবে আগামী বার্ষিক সাঃ সভা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। সুন্দরবনে কোবাদক স্টেশনের অভিযানে ১৭০ কেজি কাঁকড়া সহ ৪ নৌকা জব্দ। কেশবপুরে (অসকস)-এর মাসিক সভা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। কয়রায় কলেজ ভবনের ছাঁদ ধ্বসে পড়ায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী। কয়রায় কলেজ ভবনের ছাঁদ ধ্বসে পড়ায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী কালীগঞ্জে ইয়াবাসেবী ও বিক্রেতাসহ এক নারীসহ ছয়জনের কারাদণ্ড। বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে  কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ।

বাচ্চাকে মারপিটের নালিশ নিয়ে থানা ফটকে হুনুমানের দল

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৬২৮ বার পঠিত

সোনাই ডেক্স:‘বাচ্চা কোলে নিয়ে একদল কালোমুখো হনুমান হঠাৎ করে থানায় হাজির। থানা ভবনের মূলফটকে দু’চার মিনিট অবস্থান করে ঢুকে পড়লো ডিউটি অফিসারের কক্ষে। ততক্ষণে থানায় উপস্থিত অফিসারদের চোখ তো চড়কগাছ! পুলিশের কেউ বুঝতে পারছে না, কী কারণে হনুমানদল থানায়।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোরের কেশবপুর থানায় এ লঙ্কাকাণ্ড ঘটে। বিরল এ ঘটনাটি জানাজানি হলে গোটা উপজেলা শহরে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, অবলা জীব হনুমান তাদের আচরণ ও ভঙ্গি দিয়েই পুলিশকে বুঝিয়ে দিল তাদের বাচ্চাকে মারপিট করা হয়েছে। পরে থানার ওসি প্রত্যেক হনুমানকে শুকনো খাবার দিয়ে এবং হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে ঘণ্টা দু’য়েক পরে হনুমান দলটি থানা ত্যাগ করে।

স্থানীয়রা আরও জানান, যুগ যুগ ধরে কেশবপুরে বাস করছে কালোমুখো হনুমান। লোকালয়ে বসবাসে অভ্যস্ত হনুমানগুলো মানুষের মতোই সবকিছু বোঝে। ইতোপূর্বে একটি হনুমানের মৃত্যু কেন্দ্র করে থানা ঘেরাও করেছিলোহনুমান দল। এছাড়াও তাদের জন্য বরাদ্দ খাবার ঠিকাদার কম দিলেও চড়াও হয় তারা।

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন বলেন, মানুষের মারপিটে আহত একটি বাচ্চাকে কোলে নিয়ে মা হনুমান প্রথমে থানায় আসে। পরপরই প্রায় ২০ থেকে ২৫টি হনুমান দলবদ্ধভাবে থানার প্রধান ফটকের সামনে ও ডিউটি অফিসারের কক্ষে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঢুকে পড়ে। থানা চত্বরে ও অফিস কক্ষে তাদের লাফ-ঝাঁপে পুলিশ সদস্যরা অবাক হন। পরে কিছু শুকনো খাবার দিলে ঘণ্টা খানিক অবস্থানের পর হনুমানের দল চলে যায়। হনুমানের ওপর হামলাকারীদের বিষয়ে তদন্ত করে দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন ওসি।

কেশবপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুল মোনায়েম হোসেন জানান, কেশবপুর উপজেলা শহর ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামে পাঁচ শতাধিক হনুমান রয়েছে। তাদের জন্য প্রতিদিন মাত্র ৩৫ কেজি কলা, ২ কেজি বাদাম ও ২ কেজি পাউরুটি দেওয়া হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে অপ্রতুল। খাবার না পেয়ে হনুমান মানুষের বসতবাড়ি ও অফিসে ঢুকে পড়ে। তাছাড়া হনুমান অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রাণী। তাদের ওপর কেউ হামলা করলে তারা দলবদ্ধভাবে এভাবে থানায় যায়। ইতোপূর্বে এ রকম একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।-বাংলা নিউজ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT