1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনা অঞ্চলের ১০ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ টি বন্ধ। খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু, আহত দুই যুবক। কেশবপুরে আধুনিক কোরাল বা ভেটকি মাছের পরিচর্যা ও চাষ পদ্ধতি অনুশীলন বিষয়ে কর্মশালা। কেশবপুরে উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে দোয়া ও উপহার বিতরণ। সুন্দরবনের হরিণ লোকালয়ে উদ্ধারের পর বনেই অবমুক্ত। হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির। কয়রায় ঘূর্ণিঝড় ও দূর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক মহড়া । কয়রায় নৌ-বাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান। কেশবপুরে বর্ষবরণ ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উৎযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -২।

বাচ্চাকে মারপিটের নালিশ নিয়ে থানা ফটকে হুনুমানের দল

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮৩ বার পঠিত

সোনাই ডেক্স:‘বাচ্চা কোলে নিয়ে একদল কালোমুখো হনুমান হঠাৎ করে থানায় হাজির। থানা ভবনের মূলফটকে দু’চার মিনিট অবস্থান করে ঢুকে পড়লো ডিউটি অফিসারের কক্ষে। ততক্ষণে থানায় উপস্থিত অফিসারদের চোখ তো চড়কগাছ! পুলিশের কেউ বুঝতে পারছে না, কী কারণে হনুমানদল থানায়।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোরের কেশবপুর থানায় এ লঙ্কাকাণ্ড ঘটে। বিরল এ ঘটনাটি জানাজানি হলে গোটা উপজেলা শহরে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, অবলা জীব হনুমান তাদের আচরণ ও ভঙ্গি দিয়েই পুলিশকে বুঝিয়ে দিল তাদের বাচ্চাকে মারপিট করা হয়েছে। পরে থানার ওসি প্রত্যেক হনুমানকে শুকনো খাবার দিয়ে এবং হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে ঘণ্টা দু’য়েক পরে হনুমান দলটি থানা ত্যাগ করে।

স্থানীয়রা আরও জানান, যুগ যুগ ধরে কেশবপুরে বাস করছে কালোমুখো হনুমান। লোকালয়ে বসবাসে অভ্যস্ত হনুমানগুলো মানুষের মতোই সবকিছু বোঝে। ইতোপূর্বে একটি হনুমানের মৃত্যু কেন্দ্র করে থানা ঘেরাও করেছিলোহনুমান দল। এছাড়াও তাদের জন্য বরাদ্দ খাবার ঠিকাদার কম দিলেও চড়াও হয় তারা।

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন বলেন, মানুষের মারপিটে আহত একটি বাচ্চাকে কোলে নিয়ে মা হনুমান প্রথমে থানায় আসে। পরপরই প্রায় ২০ থেকে ২৫টি হনুমান দলবদ্ধভাবে থানার প্রধান ফটকের সামনে ও ডিউটি অফিসারের কক্ষে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঢুকে পড়ে। থানা চত্বরে ও অফিস কক্ষে তাদের লাফ-ঝাঁপে পুলিশ সদস্যরা অবাক হন। পরে কিছু শুকনো খাবার দিলে ঘণ্টা খানিক অবস্থানের পর হনুমানের দল চলে যায়। হনুমানের ওপর হামলাকারীদের বিষয়ে তদন্ত করে দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন ওসি।

কেশবপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুল মোনায়েম হোসেন জানান, কেশবপুর উপজেলা শহর ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামে পাঁচ শতাধিক হনুমান রয়েছে। তাদের জন্য প্রতিদিন মাত্র ৩৫ কেজি কলা, ২ কেজি বাদাম ও ২ কেজি পাউরুটি দেওয়া হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে অপ্রতুল। খাবার না পেয়ে হনুমান মানুষের বসতবাড়ি ও অফিসে ঢুকে পড়ে। তাছাড়া হনুমান অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রাণী। তাদের ওপর কেউ হামলা করলে তারা দলবদ্ধভাবে এভাবে থানায় যায়। ইতোপূর্বে এ রকম একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।-বাংলা নিউজ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT