1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড। নবাগত ইউএনও-এর সাথে কেশবপুর থানা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ,। তিন মাস পর ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে। বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ। বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন। কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশের প্রথম হানাদার মুক্ত শ্যামনগর শ্যামনগরে সাড়ম্বরে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৯২ বার পঠিত

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ

১৯ নভেম্বর সাতক্ষীরার শ্যামনগর হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১৯ নভেম্বর শ্যামনগরে স্বাধীন

বাংলার পতাকা উত্তোলন করার মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম যুদ্ধে মুক্ত অঞ্চল

হওয়ার গৌরবান্বিত হয় শ্যামনগরবাসি।

শুক্রবার সকালে শ্যামনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান

কমান্ডের যৌথ আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্য দান, বর্ণাঢ্য র‌্যালী,

আলোচনাসভা , দোয়া অনুষ্ঠান,লাঠিখেলা, জারিগান সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান

অনুষ্ঠিত হয়।

বর্ণাঢ্য র‌্যালীটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হল রুমে আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা

নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ উজ

জামান সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক অধ্যক্ষ জি এম ওসমান গণি, মুক্তিযোদ্ধা

সংসদের সাবেক কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল, সাবেক কমান্ডার এম এ মজিদ,

শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী শহিদুল ইসলাম, উপজেলা

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি এস এম কামরুল হায়দার নান্টু, সাবেক

ডেপুটি কমান্ডার গাজী আবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান প্রমুখ।

আলোচনাসভায় মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সদস্যবৃন্দ

বক্তব্যে জোর দাবী তুলে বলেন বাংলাদেশের প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা

শ্যামনগর নতুন প্রজন্মকে বিষয়টি অবহিত করতে উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

পর্যায়ে প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর কর্মসূচি গ্রহণ করা ও উদ্যাপন করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি রেজুলেশন করে ইউনিয়ন পর্যায়েও

উদ্যাপন করার বিষয়ে দাবী জানান। সভায় মুক্তিযোদ্ধারা আরও দাবী করেন

উপজেলা পর্যায়ে মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সৎকারের জন্য নির্ধারিত কবর স্থান ও

শশ্মান স্থান নির্ধারনের।

 

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় ও সাবেক

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডলের পরিচালনায় শ্যামনগর মুক্ত দিবস

উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও সন্তান কমান্ডের

সদস্যবৃন্দের মধ্যে ২৫০টি শীত বস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালের ১৯ আগষ্ট পাক বাহিনীর অর্তকিত আক্রমনে প্রাণ

হারায় ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে সুবেদার ইলিয়াস, আবুল কালাম আযাদ

প্রমুখ। এ দিনে আরো কয়েক জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায়। আকষ্মিক এ

আক্রমণের বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত টিকে

থাকতে পারেনি। টানা তিন মাসে পাক বাহিনী শ্যামনগর সদরে ৫/৬ বার

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে ও ১৮ নভেম্বর রাতের আঁধারে শ্যামনগর

ত্যাগ করে। পর পরই মুক্তিযোদ্ধারা এসে শ্যামনগর দখল নেয়। এরপর স্বাধীন

বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়।

 

ছবি- ১৯ নভেম্বর শ্যামনগর মুক্ত দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT