
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশন ১৮৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
তারপর থেকে স্টেশনটি অবহেলিত হয়ে আছে।
ভেড়ামারা স্টেশনে প্রতি মাসে টিকিট বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার।
এই স্টেশনে ৩টি উপজেলার যাত্রীদের চাপ পড়ে।
তবুও কেন এতো অবহেলা,
ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় স্টেশনের ভবনগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ ফেটে পানি পড়ছে, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, এবং দরজা-জানালা ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। প্ল্যাটফর্মের অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ। ইটের গাঁথুনি উঠে গেছে, এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্টেশনে বসার ব্যবস্থা নেই, এবং কোনো ছাউনি নেই। পানির সরবরাহ নেই, এবং কোনো টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। রাতে পুরো স্টেশন অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে, এবং কোনো বাতির ব্যবস্থা নেই।
স্টেশনের এই অবস্থার কারণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। ট্রেনে যাতায়াত করতে গিয়ে তারা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন যে সরকার অবিলম্বে এই স্টেশনের সংস্কার করবে এবং যাত্রীদের জন্য উন্নত সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করবে।
এই স্টেশনে ৩টি উপজেলার যাত্রীদের চাপ পড়ে।
বর্তমানে ভেড়ামারা স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ট্রেন যাতায়াত করে। ঢাকা, খুলনা, চিলাহাটি এবং রাজশাহীর পথে যাতায়াতকারী অনেক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি এই স্টেশনে রয়েছে। যদিও কালের বিবর্তনে অনেক পুরনো স্থাপনা জীর্ণ হয়েছে, তবুও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এখনো বিদ্যমান।
ভেড়ামারা রেলস্টেশনের ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা পাওয়ার প্ল্যান্টের ইতিহাসও এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রেখেছে।