
সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:-বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন হতে এবারে প্রথম জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন দাবি জানিয়েছেন গোয়াইনছড়ির কৃতি সন্তান খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক লিখিত বার্তায় তিনি এই দাবি জানান। তথ্য মতে জানা গেছে, তিনি একমাত্র ফারুয়া ইউনিয়নে বিএনপি পরিবারের সন্তান । এবং তিনিই একমাত্র সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রয়াত: কালেয়া তঞ্চঙ্গ্যা’র ছেলে এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির উপদেষ্টা প্রয়াত: তেজেন্দ্র লাল তঞ্চঙ্গ্যা একমাত্র ভাইপো। ফারুয়া ইউনিয়নে একমাত্র বিএনপি পরিবারের সন্তান। ১৯৮১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান খাল কাটা শুরু করেছিলো এক মাত্র তার পিতা কলেয়া ও তার জেঠা তেজেন্দ্র লাল চেয়ারম্যানকে নিয়ে। বংশ পরস্পরায় একমাত্র তিনিই জিনিয়াস বিএনপি।
তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সে বর্তমানে ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা বিএনপির সক্রিয় সদস্য । তার রাজনৈতিক জীবনে ২০০৬ -২০১০ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য, ২০১১-২০১৪ সাল পর্যন্ত যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, ২০১৫-২০১৭ সাল পর্যন্ত ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য।
তিনি আরও জানান, এযাবৎ ফারুয়া ইউনিয়ন হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদে কাউকে মানোন্নয়ন দেওয়া হয়নি। অথচ এই এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম ও পশ্চাৎপদ। সদরে সঙ্গে এখনো যোগাযোগের সু-ব্যবস্থা নেই,নেই কোন চিকিৎসার জন্য উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র,।ডেলিভারী রোগী যেতে যেতে পথে মারা যায়।মোবাইল নেটওয়ার্ক তো নেই,নেই বিদ্যুৎতের সুব্যবস্থাও।এযাবৎ কেউ ফিরে দেখেনা এই বিষয়ে। কত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান – সদস্য এলো- গেলো খবর নিলোনা কেউ।
তিনি আবেকগণ কন্ঠে আরো বলেন, গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটিতে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এবং একি ভাবে দশ হাজারের বেশি ভোটে পেয়েছে বিএনপি । এজন্য সারা দেশে সবার চেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রাঙ্গামাটি আসনে। তাই মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহোদয় এ্যাড.দীপেন আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন।
শুনেছি শ্রীঘ্রই জেলা পরিষদ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাই বিপুল ভোট এবং দলকে টিকিয়ে রাখা অন্যান্য সক্রিয় কর্মীর চেয়ে আমার ভুমিকাও কম ছিলো না। তাছাড়া ফারুয়া আপামর জনগণও আমাকে জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই এবং একইভাবে দেখতে চাই আমাদের নেতাকর্মীও। তাছাড়া তঞ্চঙ্গ্যা সদস্য পদটি জনসংখ্যায় তঞ্চঙ্গ্যা বেশি হিসেবে ফারুয়া এলাকা হতে দাবি রাখে। গত বারে অন্তর্বতীকালীন সরকার রাঙাবী কে নিয়োগ দিলেও পরে মামলার কারণে স্থগিত হয়ে গেছে, সেটাও বিতর্কিত। এজন্য তঞ্চঙ্গ্যারা বার বার অবহেলা বঞ্চনার শিকার। আশা করি মহোদয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ভুল করবেন না। এজন্য বিলাইছড়ি উপজেলা হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদটি পেতে হলে আমার বেশি দাবি রাখে।