1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাঙ্গামাটির দুর্গম  দুমদুম্যা ইউনিয়নে আগুনে ঘর পুড়ে সবকিছু হারালো সুনিল । পুকুর থেকে নবজাতকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার। বিলাইছড়িতে পার্বত্য মন্ত্রীর ঈদ উপহার । ঘটনার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ফারুয়া পানছড়িতে পুড়ে যাওয়া ত্রিপুরাদের পাশে উপজেলা প্রশাসন, বিএনপি ও  ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ । নারীঘটিত বিরোধের জেরে টিকটকার রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে হত্যা করা হয়। নিরাপদ খুলনা চাই সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কেএমপি পুলিশ কমিশনার এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। নিরাপদ খুলনা চাই’ সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী কে ফুলেল শুভেচ্ছা। খুলনা থেকে চুরি হওয়া ল্যান্ড ক্রুজার ঢাকায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩। দুর্গম বড়থলি ইউনিয়নে ভিজিএফ ও ভিজিডি  বিতরণ।

পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে ডিপ টিউবওয়েলে বিকল্প নেই।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮৫ বার পঠিত

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি)প্রতিনিধি-।

পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া কোন প্রাণী বাঁচতে পারে না। তাই পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে ডিপ-টিউবয়েলের বিকল্প নেই বলে জানান স্থানীয় পাড়াবাসী,জন প্রতিনিধি,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সহ ভুক্তভোগী সকলেই। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ২৫ বছরের এক গৃহীনি বলেন,আগে আমাদেরকে রিংওয়েল দেওয়া হয়ছিল,তা ভরা মৌসুমে পানির সুবিধা পেলেও কিন্ত শুকনো মৌসুমে একেবারেই পান করা ও ব্যবহার করা পানি পর্যন্ত পাওয়া যায় না বলে জানান। তিনি আরও বলেন,আমরা বর্তমানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল থেকে ১ টি ডিপটিওবয়েল পেয়েছি, তা আমরা এখন শুকনো মৌসুম থেকে শুরু করে সব মৌসুমে অনবরত পান করার পানি সংগ্রহ করছি এবং গোসল ও অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করছি। তিনি আরো জানান,ছড়ার পানি উৎস হতে আমরা অনেক দূরে।তাছাড়া গ্রীষ্মকালে খাল, বিল, নদ-নদী, ছড়া- ঝর্ণা,কুয়ার পানিও শুকিয়ে যায়, যার ফলে পান করার মত কোন পানি পাওয়া যায় না,দূর হতে সংগ্রহ করতে হলে কয়েক ঘণ্টা হেটে গিয়ে লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয়। এইসব বিষয়ে বিলাইছড়ি উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বা পাবলিক হেল্থের দায়িত্ব প্রাপ্ত ফিল্ড অফিসার মোঃ আব্দুল জলিল বলেন, উপজেলায় ৪ টি ইউনিয়নে মধ্যে বড়থলি বাদে ইতি পূর্বে ৩ টি ইউনিয়নে বিলাইছড়ি,কেংড়াছড়ি ও ফারয়া ইউনিয়নে দূর্গম এলাকায় ৪০ টি ডিপ টিউবয়েল করা হয়েছে। বর্তমানে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ৭৮ টি চলমান রয়েছে বলে জানান। সবকটি ডিপ টিওবয়েলের গভীরতা ২২০ থেকে ৪০০ ফুট গভীরতার মধ্যেই করা যায়। বেশ কয়েকটা লেয়ার পেলেই বসানো সম্ভব বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান,বর্তমানে পানির স্তর নীচে নামায় রিংওয়েল দিয়ে ৫০-৬০ গভীরতায় সবসময় পানি পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।তাছাড়া তিনি কাপ্তাই লেকের পানি শুকিয়ে যায় বলেও জানান। তাই পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে হলে ডিপ টিউবওয়েলের একমাত্র ভরসা। উল্লেখ্য যে, বিগত ২০১৬-২০১৭ সালে সিআইপিডি এনজিও সংস্থা আলোকিত প্রকল্প নামে ইউএনডিপি’র অর্থায়নে ৩ নং ফারুয়া ইউনিয়নে আলেখ্যং এলাকায় পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে পাথর কেটে ১৩ টি ডিপটিউবয়েল করায় এলাকাবাসীর ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছেন। তাই পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে জেলা ও উপজেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন জিও,এনজিও কাজ করে যাচ্ছে।তাই দূর্গম এলাকায় এইসব প্রকল্প চাহিদা অনুযায়ী কোন আত্নীয়করণ না করে যাচাই – বাছাই করে হাতে নিলে আরো বেশি এলাবাসী সুগম হবে বলে জানা যায়। বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT