1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যান পরিষদের মানববন্ধন। রাজনৈতিক স্বার্থে কাউকে রাজাকার বা জঙ্গি আখ্যা দেওয়ার সংস্কৃতি জনগণ আর গ্রহণ করছে না। সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, আর সঙ্গে না থাকলে জঙ্গি- এই দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে গেছে।”-অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার। চালককে আঘাত করে রিক্সা ছিনতাই। ভাটা ও জমির মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মাটি বিক্রি করায় ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন। বিলাইছড়িতে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি। দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে ৬ শ  কার্ডধারীদের মাঝে  চাউল বিতরণ । বিলাইছড়ির ১১ দলীয় ঐক্যজোট রিক্সার প্রতীক আবু বকর সিদ্দিক এঁর পথ সভা। বিলাইছড়ি ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি বিতরণ । নদী খননের কারণে আশ্রয়স্থল হলো পশুর হাটে। কয়রা হাসপাতালের উদ্যোগে পল্লী চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় ।

নদী খননের কারণে আশ্রয়স্থল হলো পশুর হাটে।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে ভদ্রা নদী খননে চুকনগর আবাসন প্রকল্পের আরো ৬৫টি ঘর উচ্ছেদ হয়েছে। গতকাল রবিবার দিনভর প্রকল্প সুফলভোগিরা ঘরের আসবাবপত্রসহ চাল-বেড়া খুলে সরিয়ে নেয়। এ নিয়ে গত কয়েকদিনে ১৪৫ ঘর উচ্ছেদ হলো। সবমিলে প্রায় ৯শ’ মানুষ চুকনগর পশুর হাটে আশ্রয়স্থল খুঁজে নিয়েছে। সেখানে বাঁশের খুঁটি পুঁতে তৈরি করছে অস্থায়ী বসতি। আর এতে সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে হাটের জায়গা! দ্রুত পুনর্বাসন না করা হলে পশুর হাট বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

জানা গেছে, আপার ভদ্র নদী খননে দীর্ঘদিনের পুনর্বাসিত আবাসন প্রকল্পের ১৪৫ ঘর উচ্ছেদ হয়েছে। আশ্রয়ণ ও আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীন ও ছিন্নমূল এই মানুষগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য ভদ্রা পাড়ে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ৮০টি এবং ২০২২ সালে ৬৫টি ঘর নির্মাণ করে সরকার। প্রকল্প সুবিধাভোগীদের মাঝে জমিসহ ঘরের চাবি হস্তান্তর করে তৎকালীন সরকার। সেই থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন দরিদ্র এ পরিবারগুলো। সম্প্রতি আপার ভদ্রা নদী খননের কারণে ঘরগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে। উপায়ন্ত না পেরে অন্যত্র সরে যাচ্ছে বাসিন্দারা। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রকল্পের ঘর উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বসতিদের পুনর্বাসন না করে ঘর উচ্ছেদ করায় বিপাকে পড়েছে বাসিন্দারা। আবাসনে নতুন পুরাতন মিলে ১৪৫ ঘরে প্রায় ২’শ পরিবারের ৯ শতাধিক লোক বসবাস করতেন। যাদের অধিকাংশ পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।

ফারুক সরদার জানান, ‘আমাদের এই মুহূর্তে থাকার কোন জায়গা নেই। তাই হাটের মধ্যে কোনমতে থাকার জায়গা করেছি।’ অপর বাসিন্দা সুফিয়া বেগম জানান, ‘আমাদেরকে ঘর করতি দিচ্ছে না হাটের লোক। কিন্তু কোথায় যাবো? নির্বাচনের প্রার্থীরা বলেছে এখানে থাকতে, তাই থাকছি।’

এ বিষয়ে স্থানীয় আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, ‘ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের পুনর্বাসন করা জরুরি। পাশে একটি সরকারি ডোবা আছে, যেটা ইউএনও’র সদিচ্ছা থাকলে সম্ভব। আর একাজে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করার আশ্বস্ত করেছেন। দ্রুত পুনর্বাসন করা না গেলে চুকনগর পশুর হাটটি বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার জানান, ‘নদী খনন হচ্ছে, কিন্তু তাদেরকে ঘর ভাঙতে বা সরাতে বলা হয়নি। তারা আমাকে না জানিয়ে নিজেরাই ভেঙে সরিয়ে ফেলেছে। তবে পুনর্বাসনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT