1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিলাইছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত। নগরীর ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেল শূন্য, রাতের আধারে অবৈধভাবে তেল বিক্রির হিড়িক। বিলাইছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত। স্বাধীনতা দিবসে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে বিজিবির শ্রদ্ধা। মোমবাতি জ্বেলে কালরাতের শহীদদের স্মরণ। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক শ্রী মিশুক চন্দ্র ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। বিলাইছড়িতে গণহত্যা দিবস পালিত। নিধুরাম ভুঁইয়া বাড়িতে সার্বজনীন বাসন্তী পুজো ও বসন্ত উৎসব ২০২৬ নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কয়রায় যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন।  বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু, জমা লাখ টাকা বাধ্যতামূলক।

ঠাকুরগাঁওয়ে আগাম আলু ৮ টাকা কেজিতে লোকসানে চাষিরা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৬৬ বার পঠিত

মোঃ সাইফুল আলম বাবু,
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:-

বাজারে যত আগে আলু উঠবে, লাভ তত বেশি হবে—এ ধারণা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে দিন দিন আগাম আলুর চাষ বাড়ছে। আগাম আলুতে প্রত্যাশিত ফলন পেলেও এবার বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না আলুচাষিরা। এতে আগাম আলুচাষিরা লোকসানের মুখে পড়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৮ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ৫৪৫ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় আট হাজার হেক্টর জমিতে চাষিরা স্বল্পমেয়াদি আগাম আলু আবাদ করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সেসব আলু তুলতে শুরু করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের সদর, বালিয়াডাঙ্গী ও রানীশংকৈল উপজেলার কয়েকজন আলুচাষির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত মৌসুমে তাঁরা খেত থেকেই প্রতি কেজি আগাম জাতের গ্যানুলা ও ডায়মন্ড আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর এ বছর ওই আলু মাত্র ৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাষিরা জানান, এক বিঘা জমিতে আগাম আলু উৎপাদন করতে সাধারণত কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা খরচ হয়। গড়ে এক বিঘা জমিতে ৭৫ মণ আলু উৎপাদন হয়। ওই হিসাবে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ পড়ে ১০ টাকার কিছুটা বেশি।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পারিয়া গ্রামের আলুচাষি খসিয়র রহমান এবার চার বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করেছিলেন। আলু আবাদে বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, হালচাষ, মজুরি মিলিয়ে তাঁর খরচ হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা। গতকাল তিনি খেত থেকে সেই আলু তুলেছেন।

খসিয়র রহমান বলেন, আগাম আলুতে যেখানে খরচের দুই থেকে তিন গুণ লাভ থাকার কথা, এবার সেখানে লোকসান দিতে হয়েছে। সব মিলিয়ে তিনি এবার ৩১২ মণ আলু পেয়েছেন। খেত থেকে ৮ টাকা দরে মোট ৯৯ হাজার ৮৪০ টাকার আলু বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

রানীশংকৈল উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের কৃষক আকবর হোসেন বলেন, ‘আমি বরাবরই আগাম আলুর চাষ করে আসছি। আগাম আলু আবাদে খরচ বেশি হলেও বাজার দরে তা পুষিয়ে যায়। কিন্তু এবার লোকসান হয়ে গেল।’

সদর উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের চাষি শহিদুল হক বলেন, ‘আলু লাগাবার সময় বৃষ্টিত মোর জমির সব বীজ আলু পচে গেইছে। সেইলা উঠায়ে আবার লাগাবা নাগিছে। বিঘায় ৩৫ হাজার টাকার ওপরত খরচ হয়ে গেইছে। আর আলু বিক্রি করে পাছি ২৪–২৫ হাজার টাকা। লাভের আশাত আগাম আলু করে খালি লসে লস।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হিমাগারগুলোতে গত মৌসুমের আলুর মজুত শেষ হয়নি। তাই কৃষকেরা আগাম আলু বিক্রি করে নায্য মূল্য পাচ্ছেন না।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হোসেন বলেন, গত কয়েক বছরে নতুন আলু এত কম দামে বিক্রি হয়নি। এর আগের বছরেও কৃষকেরা নতুন আলুতে ভালো দাম পেয়েছিলেন। বাজারে এখনো হিমাগারে রাখা গত মৌসুমের আলু বিক্রি হচ্ছে। তাই বাজারে নতুন আলুর চাহিদা কম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT