1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরের মজিতপুর রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে অনুষ্ঠিত হলো মন্ত্রদীক্ষা অনুষ্ঠান। কেশবপুরে ঘাসফুল সাহিত্য পত্রিকার আলোচনা অনুষ্ঠান। কেশবপুর পাঁজিয়ার কৃতি সন্তান খুবির উপ- রেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলামের ইন্তেকাল। সুন্দরবনে দস্যু দমনে বন বিভাগের অভিযান  ৩ টি দেশীয় বন্দুক সহ ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার । কেশবপুর আস্থা পল্লী উন্নয়ন সমবায় সমিতির দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। মণিরামপুর সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে ৯৬তম মাসিক সাহিত আড্ডা। কয়রায় সহস্রাধিক দুঃস্থ মানুষের মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প- ঔষধ বিতরণ । শ্যামনগরে নকিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা। কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কৃষকের ব্যপক ক্ষতি। মণিরামপুর “পরিবার স্বেচ্ছাসেবী” সামাজিক সংগঠনের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ।

কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কৃষকের ব্যপক ক্ষতি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

যশোরের কেশবপুরে সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ের কৃষকের ব্যপক ক্ষতি ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল-২৬) রাত ৯টার দিকে হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ জমে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়। অল্প সময়ের এই ঝড়েই উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের মাঠভর্তি আধাপাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার মূলগ্রাম, ভবানীপুর, হাবাসপোল, বেগমপুর, দোরমুটিয়া, বেলকাটি ও পাঁজিয়া অধিকাংশ জমির ২৮ জাতের ধান পড়ে গেছে। কোথাও পুরো ক্ষেত মাটিতে লেগে গেছে, আবার কোথাও আংশিকভাবে হেলে পড়েছে। ফলে ধানের শীষ মাটির সংস্পর্শে আসলে এবং বর্ষার পানি জমলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে।
উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের কৃষক হুমায়ূন কবির, আব্দুস সামাদ ও আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আকস্মিক এই ঘূর্ণিঝড়ে তাদের ক্ষেতের ধান পড়ে গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, পড়ে থাকা ধান দ্রুত কাটা না গেলে চিটা হয়ে যেতে পারে এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। একই চিত্র বেলকাটি গ্রামেও। কৃষক শহিদুজ্জামান বলেন, চোখের সামনে সব ধান মাটিতে লুটিয়ে আছে। ঝড়ে পড়ে যাওয়া ধান চিটে হয়ে যায়। এই ধানই ছিল আমাদের সারা বছরের ভরসা। অনেক কষ্ট করে জমি চাষ করেছি, ঋণ নিয়ে সার-বীজ কিনেছি। এখন বড় দুশ্চিন্তায় আছি। অধিকাংশ কৃষক জানান, ঝড়ের সময় বাতাসের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেতেই শক্ত গাছও টিকে থাকতে পারেনি।
তবে এ পরিস্থিতিতে কিছুটা আশার কথা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান পড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ ধান পাকার কাছাকাছি থাকায় চিটা হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম।’ তিনি আরও জানান, ‘জমির উর্বরতা বেশি হওয়া এবং অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে ধানের গাছ নরম হয়ে যায়, যা ঝড়ে সহজে পড়ে যায়। তবে দ্রুত ধান কেটে ফেলতে পারলে ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। মাটিভেদে সার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও ক্ষেয়াল করার প্রয়োজন।
ছবিঃ
১০/০৪/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT