1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড। নবাগত ইউএনও-এর সাথে কেশবপুর থানা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ,। তিন মাস পর ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে। বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ। বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন। কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় প্রাণহানি ৩৯: মানুষ হত্যার নির্বাচন ‘ভয়ঙ্কর ও মর্মান্তিক’ ………আ স ম রব।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৬৭ বার পঠিত

নিউজ প্রতিবেদক।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত ৩৯ জন নাগরিক হত্যায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অতিসত্বর মানুষ হত্যার ‘ভয়ঙ্কর ও মর্মান্তিক’ ‘নির্বাচন’ বন্ধ করার দাবি জানিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি দিয়েছেন।

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন ‘জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত না করে নির্বাচনী নাটকের নামে নির্বাচনী সহিংসতায় ৩৯ জনের প্রাণহানি প্রজাতন্ত্রের জন্য খুবই’ ভয়ংকর ও মর্মান্তিক’। এসবই শাসকদলের অন্তঃকোন্দল ও গণতন্ত্র বিহীন হিংস্র রাজনীতির কুফল।

 

প্রতিজন নাগরিক হত্যার দায় সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে।

নাগরিকের জীবন সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। নির্বাচনী প্রহসনে দিনের পর দিন প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হত্যার পরও সরকার এবং ইসি তথাকথিত ‘উৎসবমুখর’ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে আত্মতৃপ্তি ঘোষণা করবে তা কোনক্রমেই গ্রহণীয় হতে পারে না। নাগরিক সুরক্ষায় সরকারের ব্যর্থতা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

 

ভোট কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই, সংঘর্ষ, গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নমিনেশন সাবমিট করতে না দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ চরমভাবে ধ্বংস হওয়ার পরও সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিজয় দেখানের জন্য ‘নির্বাচনী আয়োজন’ জাতির কাছে তামাশায় পরিণত হয়েছে। প্রতিটি নির্বাচন রক্তের হলি খেলায় রূপান্তর লাভ করছে কিন্তু সরকার কোন দায় দায়িত্ব গ্রহণ করছে না। প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হত্যা বা নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অরাজকতা ও সংঘাত এবং জিঘাংসার সংস্কৃতি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সরকারকে অতিসত্বর মানুষ হত্যা এবং ভোটারবিহীন নির্বাচনের নাটক বন্ধ করতে হবে। সর্বাগ্রে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেই সকল নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।’

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT