1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা।

অবৈধ স্থাপনার কারণে ব্যাহত হচ্ছে ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৬৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

খুলনা ডুৃুমুরিয়ায় অবৈধ স্থাপনার কারণে ব্যাহত হচ্ছে হাসানপুর ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ। দখলদারদের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্রিজ নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ রেখে কাজের ইতি টানার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তার অভাবে আজও দখলমুক্ত হয়নি প্রকল্পের জায়গা। ফলে একদিকে যেমন জনভোগান্তি বাড়ছে অন্যদিকে উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়ছে।

জানা গেছে, সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ পুননির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডুমুরিয়া উপজেলার হাসানপুর হামকুড়া চরভরাটি নদীর উপর নির্মাণ হচ্ছে ৪১ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি গর্ডার ব্রিজ। ১৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রিজের প্রায় ৯০ পার্সেন্ট কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ব্রিজের পূর্বে খাজুরার পাড়ে গাইডওয়ালসহ এ্যাপ্রোস রোড সম্পন্ন হলেও পশ্চিমে হাসানপুর খেয়াঘাট পাড়ে সড়কের উত্তরপাশে অবৈধ স্থাপনার কারণে গাইডওয়াল দিতে পারছে না। ফলে অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ কাজও থমকে পড়েছে।

এনিয়ে প্রায় বছর খানেক ধরে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে স্থাপনা মালিকের বিরোধ সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেও কোনও সুরহা হয়নি। ব্রিজটি নির্মাণ হলে রুদাঘরা ও ডুমুরিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই সহজ হবে। জনগুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজের কাজ অসমাপ্ত রেখে শেষ করার চেষ্টা করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এনিয়ে গত বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট রুদাঘরা ও ডুমুরিয়া ইউনিয়নবাসী লিখিত অভিযোগ করেছেন। গাইডওয়াল ছাড়া ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করলে মারাত্মক ঝুঁকি ও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ঠিকাদার মোঃ জাকির হোসেন জানান, ‘ব্রিজের পশ্চিম পাশে কোনায় তিন শাটার বিশিষ্ট একটি পাকা স্থাপনা রয়েছে। যেটি সম্পূর্ণ সরকারি নদীর খাস জায়গার উপর। এনিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করেছেন। বারবার কাজে হ্যাম্পার হয়েছে। সে মামলা খারিজ হয়ে গেছে। তবুও ঘরের ক্ষতিপূরণ হিসেবে একলাখ টাকা দিতে চেয়েছি। কিন্তু উনি (স্থাপনার মলিক) খাস জমির টাকা চায়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ওই টাকা দিতে রাজি না।

তিনি বলেন, ‘আর বেশি দেরি করবো না। যেভাবে আছে সেই ভাবে কাজ শেষ করে যাবো।’

স্থাপনা মালিক খাজুরা গ্রামের রেজাউল ইসলাম খান রেজা বলেন, ‘খাস ও রেকর্ডীয় জমির উপর আমার পাকা দোকান ঘরটি। খাস জমি না হয় বাদ দিলাম কিন্তু এক শতকের বেশি রেকর্ডীয় জমি আছে। সেখানে আমার কিছু গাছপালা ছিলো সেগুলো বিনা অনুমতিতে কেটে ফেলেছে।’

তিনি বলেছেন, তার স্থাপনার ক্ষতিপূরণসহ রেকর্ডীয় জমির টাকা না দিলে তিনি সরবেন না।

এ বিষয় খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক জানান, ‘স্থাপনাটির কারণে ব্রিজ নির্মাণ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গাইড ওয়াল নির্মাণ না করে অ্যাপ্রোচ রোড করলে এক বছরও টিকবে না।’

তিনি বলেন ‘স্থাপনার মালিক রেজা সাহেব আমাদের সাথে কোনও কম্প্রোমাইজে না এসে মামলা করেছেন। তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় কাজে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাকে আমরা স্থাপনার ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছি।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT