২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সি বি আই রাজ্যের যে কোন যায়গায় তদন্ত করতে পারে, তার জন্য সরকারের অনুমতির প্রয়োজন নেই। জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

আজ পশ্চিম বাংলার কলকাতা হাইকোর্টে গরু ও কয়লা পাচার কান্ডের একটি প্রসঙ্গ তুলে এমন একটি মন্তব্য করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শ্রী তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান যে সি বি আই রাজ্যের যে কোন যায়গায় তদন্ত করতে পারে। গরু ও কয়লা পাচার কান্ডের মূল হোতা শ্রী বিনয় মিত্র গ্রেপ্তার করা ও ঐ কেসের সি বি আই এর এখতিয়ার সম্পকে এমন কথা বলেন বিচারপতি। তিনি বলেন যে, ২০১৮,সালের, তৎকালীন কলকাতা পুলিশের কমিশনার এর গ্রেপ্তার করা প্রসঙ্গে সি বি আই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পশ্চিম বাংলা সরকার। সেই সময় পশ্চিম বাংলা সরকার নবান্ন থেকে একটি নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল যে সি বি আই রাজ্যের কোন কেসের তদন্ত করতে গেলে নবান্ন থেকে অনুমতি লাগবে। সেই সময় পশ্চিম বাংলা সরকারের আইনজীবী শ্রী অভিষেক সিঙ্ঘ সিঙ্ঘভি বলেছিলেন যে সি বি আই রাজ্যের কোন মামলা ও কেসের তদন্ত করতে গেলে নবান্ন থেকে অনুমতি লাগবে। যা নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা যায়। কিন্তু কয়লা ও গরু পাচার কান্ডের সঙ্গে যুক্ত পশ্চিম বাংলা সরকারের বহু আমলা ও পুলিশ অফিসার যুক্ত আছে বলে ঐ নোটিশ জারির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে। আজ পশ্চিম বাংলা হাইকোর্টের বিচারপতি শ্রী তীথন্কর ঘোষ জানান যে, ২০১৮,সালের, নোটিফিকেশন সাথে এই মামলার তদন্ত এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই সি বি আই রাজ্যের যে কোন যায়গায় তদন্ত করতে পারে তা রাজ্যে সরকারের কাছ থেকে কোন অনুমোদন লাগবে না। সি বি আই কোটের নিদের্শ মতো কাজ করবে

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি