১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

শার্শা’য় ধানক্ষেতে মাছচাষ প্রদর্শনী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্রতা বিমোচনের লক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় যশোরের শার্শা’য় ধানক্ষেতে মাছচাষ প্রদর্শনী ও প্রকল্পভুক্ত খামারীদের প্রশিক্ষণসহ মৎস্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১টার সময় সরকারের ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’র আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাস্তবায়িত ধানক্ষেতে মাছচাষ ও পাংগাশকার্প মিশ্রচাষ প্রদর্শনী আরডি এফএফদের প্রশিক্ষন মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বাগআচড়ায় এ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।

শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধাণ প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার পাল। এসময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তিভিত্তিক মাছ চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিন বিশে^র প্রথম স্থান অধিকার করবে।

শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসানের সার্বিক বাস্তবায়নায় অনুষ্ঠিত উক্ত প্রদর্শনি ও প্রকল্পভুক্ত খামারীদের প্রশিক্ষণসহ মৎস্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আনিছুর রহমান ও যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (উপ-প্রকল্প পরিচালক) লুকাস সরকারসহ শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

একইদিন উক্ত অনুষ্ঠানমালার পূর্বে শার্শা উপজেলায় মাছ চাষে স্বনির্ভর হওয়ায় রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পাওয়ার তালিকাভুক্ত ফিরোজ আহমদের মৎস্য খামার পরিদর্শণ ও আগাম বার্তা দিতে শার্শার বসন্তপুর গ্রামে যান কর্মকর্তাবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি