২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রথযাত্রা উপলক্ষে সিসিকের অনুদান প্রদান ও মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেট প্রতিনিধি:রথযাত্রা উৎসবে অংশগ্রহণকারী ২২টি দেবালয়কে সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (২ জুলাই) সকালে নগর ভবনের সভাকক্ষে রথযাত্রা উপলক্ষে অনুদান প্রদান ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও যুগ্ম সচিব বিধায়ক রায় চৌধুরী।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিধায়ক রায় চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সিলেটের অনন্য এক ঐতিহ্য। ভবিষ্যতেও ঐতিহ্যের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রথযাত্রা উৎসব উদযাপনে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করতে প্রস্তুত রয়েছে।

সিসিকের সচিব মোহাম্মদ বদরুল হকের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন কর কর্মকর্তা চন্দন দাশ।
সভা শেষে উৎসবে অংশগ্রহণকারী ২২টি দেবালয়কে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

অনুদান প্রাপ্ত দেবালয়গুলো হচ্ছে, নগরের লামাবাজারের শ্রী শ্রী কৃষ্ণ বলরাম জিউর আখড়া, আম্বরখানা শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়া, শিবগঞ্জের শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ জগন্নাথ মনিপুরী মন্দির, কালিঘাট শ্রী শ্রী নরসিংহ জিউর আখড়া, রাজবাড়ী শ্রী শ্রী মহাপ্রভু মন্দির, নয়াবাজার শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়া, যুগলটিলা ইসকন মন্দির, নরসিংটিলার শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির, কালিঘাট শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়া, নরসিংটিলা নীচপাড়া শ্রী শ্রী মহাপ্রভু মন্দির, লালদিঘীরপাড় মনিপুরী পাড়া মন্দির, সাগরদিঘীরপাড় শ্রী শ্রী মহাপ্রভু মন্দির, মাছিমপুর শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর আখড়া, বড় বাজারের শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির, সুবিদ বাজারের শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়া, লামাবাজার ছায়ানীড় শ্রী শ্রী মহাপ্রভু জিউর আখড়া, দক্ষিণ কাছ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির, জিন্দাবাজার শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়া, শিবগঞ্জ সেনপাড়ার শ্রী শ্রী ব্রজনাথ ব্রজেশ্বরী মন্দির, মির্জাজাঙ্গাল নিম্বার্ক আশ্রম, লামাবাজার দেবালয় রথযাত্রা, ও পনিটুলা শ্রী শ্রী মহাপ্রভুর আখড়া।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন- সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার সুজ্ঞান চাকমা, সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর বিপ্লব কর সম্রাট, মহিলা কাউন্সিলর নাজনীন আক্তার কণা, ড. দিলীপ কুমার দাশ চৌধুরী, সিসিকের হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা আ ন ম মুনসুফ, দেবালয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নৃপেন্দ্র সিংহ প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি